আপিল বিভাগের শুনানি নিষ্পত্তি হওয়ায় আগেই কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে-তা হত্যাকাণ্ড বলে গণ্য হবে। এমনটাই বলছেন আইন বিশেষজ্ঞ।
সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিল শুনানি চলাকালীন হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়ে থাকলে শুনানি শেষ হওয়ার আগে দণ্ড কার্যকরের কোনো সুযোগ আইনে নেই বলে জানান সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর ) সময় নিউজকে এ কথা জানান তিনি।
যশোরের চুয়াডাঙ্গার ২ আসামি মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকরে কার গাফিলতি আছে তা তদন্ত করার পরামর্শ দেন সাবেক এই বিচারপতি। অন্যদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনের দাবি, ডিজিটাইজেশনের অভাবে মোকিম-ঝড়ুর শুনানি নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে।
অপরাধ করলে আছে সাজার বিধান। তবে আসামির ন্যায় বিচার পাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে বাংলাদেশ সংবিধানসহ দেশের প্রচলিত আইনে। যেখানে বিচারিক আদালত কারও বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করলে উচ্চ আদালতে আপিল করার অধিকার পান অভিযুক্ত ব্যক্তি। হাইকোর্টের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে আপিল করেন। এরপর রিভিউ আবেদন সুযোগ থাকে। তবে এমন নিয়মের ব্যত্য়য় ঘটেছে চুয়াডাঙ্গার একটি হত্যা মামলার ২ আসামি মোকিম ও ঝড়ুর ক্ষেত্রে। আপিল বিভাগে শুনানি শুরুর ৪ বছর আগেই মোকিম-ঝড়ুকে ফাঁসি কার্যকর করে যশোর কারাকর্তৃপক্ষ। আর এ ঘটনার কঠোর নিন্দা জানিয়ে আইন বিশেষজ্ঞ বলছেন, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদের সুষ্পষ্ট নির্দেশ থাকার পরও মোকিম-ঝড়ুর আপিল শুনানি নিষ্পত্তির আগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় দোষীদের তদন্ত করে সাজা দেওয়ার দাবি জানান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।
সূত্রঃ- সময় টিভি