মোশাররফ হোসেনঃ রাশিযার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে ইউক্রেন ন্যাটোর মিসাইল সহ সাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে। এ অভিযোগে রাশিয়া সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
ইউক্রেন কতৃক আক্রান্ত হবার পর শুরুতে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে প্রবেশ করে তারা। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ সহ বিভিন্ন শহরে তারা আক্রমণ করেছে। সাইবার প্রতিরক্ষা ধ্বংস করেছে।
এমন অবস্থায় জাতিসংঘ সহ ,যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, জার্মানি সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। অপরদিকে চীন বলেছে আলোচনা করে সমাধানে তারা কাজ করবে।
এরকম পরিস্থিতিতে অনেকেই তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের আশংকা করছেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় বিশ্বনেতাদের প্রতিক্রিয়া
ইউক্রেনে সামরিক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে রাশিয়ার হামলার জোরালো আশঙ্কার মধ্যেই কিয়েভে বিস্ফোরণের খবর সামনে এলো। এদিকে, এ ঘটনায় দেশটির নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশ।

জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসে। এ সময় তিনি পূর্ব ইউরোপের দেশটির প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন।
এক বিবৃতিতে জার্মান অর্থমন্ত্রী রবার্ট হাবেক বলেন, ‘ইউরোপে আমাদের একটি স্থল যুদ্ধ হয়েছে। যা আমরা ভেবেছিলাম কেবল ইতিহাসের বইয়ে পাওয়া যাবে। এটা আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ‘তিনি রাশিয়ার অপ্রোরচিত হামলায় আতঙ্কিত। ব্রিটেন এই হামলার যথাপোযুক্ত জবাব দেবে।’ ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও ড্রাঘি বলেছেন, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা অযৌক্তিক। এর তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়ার জন্য আমরা ইউরোপীয়ান এবং ন্যাটে মিত্রদের সঙ্গে কাজ করছি, একতা এবং একাগ্রতার সহিত।’
পোলিশ সরকারের মুখপাত্র পিতর মুলার বলেন, ‘ন্যাটের পশ্চিম ফ্লাঙ্ককে পূর্ণগঠনের এখনই সময়। আমরা আশা করছি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানায় ফ্রান্স। রাশিয়াকে দ্রুত সময়ের মধ্যে অবশ্যই তাদের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। ফ্রান্স সহমর্মিতার সহিত ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াচ্ছে।’