1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
December 14, 2025, 1:35 pm
সংবাদ শিরোনাম :
The Business standard পত্রিকায় ২৬/১১/২০২৫ইং তারিখ বিকেল ৪:২০ মিনিটে অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার পর গণভোট নিয়ে সিদ্ধান্ত : সিইসি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন আলী রীয়াজ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের গেজেট জারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হবে: প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও বিবর্তন বিষয়ক প্রথম প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যানের নামে দুদকে অভিযোগ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কানাডার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও ইফতার চীনে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেতে যাচ্ছেন ড. ইউনূস বিশ্বের বৃহত্তম সৌর প্যানেল কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে

করোনাকালে নানা সুবিধার পরও বাড়ল খেলাপি ঋণ

  • প্রকাশিত : রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২০
  • 592 বার পঠিত

# জুন শেষে খেলাপি ঋণ ৯৬ হাজার ১১৬ কোটি টাকা

# তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ৬০৬ কোটি

মহামারি করোনায় সৃষ্ট লোকসানের কারণে ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ গ্রাহককে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ‌‘খেলাপি’ হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না। বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলেও বিশেষ ছাড়সহ নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তারপরও ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। মার্চ-জুন এ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপির পরিমাণ ৯৬ হাজার ১১৬ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ২৪ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপির পরিমাণ ৯২ হাজার ৫১০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এ হিসাবে তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ১০ লাখ ১১ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে খেলাপির পরিমাণ ছিল ৯৪ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা বা ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৯ সালের জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। সেই হিসাবে গত বছরের জুনের তুলনায় এ বছর জুনে, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ কমেছে ১৬ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস চলতি বছরের মার্চ থেকে দেশে আঘাত হানে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে। এ সঙ্কটকালে ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুবিধা দেয় সরকার। আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কিস্তি না দিলেও খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হতে হবে না। এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ঋণ শ্রেণিকরণে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মহামারির প্রকোপ দীর্ঘায়িত হওয়ায় আরও তিন মাস বর্ধিত করে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। অর্থাৎ চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনো ঋণের শ্রেণিমান পরিবর্তন করা যাবে না। যে ঋণ যে শ্রেণিতে আছে, সে অবস্থাতেই থাকবে।

এর আগে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ কমাতে সরকারের নির্দেশনায় পুনঃতফসিলে গণছাড় দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছরে ঋণ পরিশোধের সুযোগ পেয়েছে ঋণখেলাপিরা। ২০১৯ সালের ১৬ মে নীতিমালায় এ ছাড় দেয়ার পর থেকে বিশেষ বিবেচনায়সহ গেল বছর পুনঃতফসিল হয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ। এত সুবিধা নেয়ার পরও ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park