1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
December 14, 2025, 2:23 pm
সংবাদ শিরোনাম :
The Business standard পত্রিকায় ২৬/১১/২০২৫ইং তারিখ বিকেল ৪:২০ মিনিটে অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার পর গণভোট নিয়ে সিদ্ধান্ত : সিইসি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন আলী রীয়াজ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের গেজেট জারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হবে: প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও বিবর্তন বিষয়ক প্রথম প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যানের নামে দুদকে অভিযোগ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কানাডার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও ইফতার চীনে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেতে যাচ্ছেন ড. ইউনূস বিশ্বের বৃহত্তম সৌর প্যানেল কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে

কানাডার মুক্তো জীবন ও সোনার হরিণের লড়াই…

  • প্রকাশিত : রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩
  • 239 বার পঠিত

মোশাররফ হোসেন: শীর্ষস্থানীয় উন্নত দেশ কানাডার জীবন মুক্ত ও স্বাধীন হলেও স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ নেই। আইন, রীতি ও নীতি দ্বারা পরিচালিত। একজন শিশু বেড়ে ওঠে মা বাবা, পরিবার, কমিউনিটি স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় তথা সামাজিক পরিমণ্ডলে। সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধ তারা শেখে শিশু কালেই। আরও শেখে মানুষের জন্য কাজ করে এগিয়ে যাওয়া। দেশকে এগিয়ে নেওয়া ।

এখানে দায়িত্ববোধের ভিত্তি শিশুকালে। সত্য বলাও ওরা রপ্ত করে। বিশ্বরূপ বদলে গেলেও এটাই কানাডা এগিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি। প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় শেষে দুটি পথ উন্মুক্ত কলেজ, টেকনোলজি ও বিশ্ববিদ্যালয়। কলেজ গুলো টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করে। স্নাতক ডিগ্রি ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে, পিএইচডি সবই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হয়।

বিষয়টি হলো টেকনোলজি পড়ে, চাকরি যারা করে তাদের একরকম সুযোগ। আবার স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে যারা তাদের কাজের মর্যাদা উচ। এটা সবাই জানে।
কিন্তু কানাডা তে স্থায়ী আবাসনের সুবিধা নিতে কলেজে টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা কোর্স শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও পড়ার সুযোগ নেবার জন্য বিশ্বজুড়ে উচ্চাশা রয়েছে। তবে এ পথে গেলে পড়ার খরচ কম বলে অভিবাসন আইনজীবীরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আসলে একটি ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করতে বাংলাদেশের একজন ছাত্রের কম করে ৩০ থেকে ৪০ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়। তারপর আবাসন ও খাওয়া, যাতায়াত, ইন্টারনেট, আনুষংগিক খরচ মিলে বছরে কোটি টাকা চলে যাবে।
স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে পরবর্তীতে চার বছর ও মাস্টার্স তো রয়েছেই।

কিন্তু স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে মাস্টার্স করে চাকুরির মর্যাদা নাগরিকদের মতো। এতে আইইএলটিএস করে আসার পর সুবিধা অনেক বেশি। স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া যায় দ্রুত। কাজ উন্মুক্ত। ওয়ানওয়ে বিমান ভাড়া, ছয় মাস এর থাকা খাওয়ার খরচ এসবই কানাডার ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট থেকে ভাল মতো জেনে নিতে হবে।
চাকরির অভিজ্ঞতা দক্ষতা হিসেবে কাজে লাগবে।
কিন্তু একশ্রেণীর উচ্চাভিলাষী ছাত্র সংক্ষিপ্ত পথে না জেনে, টাকার তাপে কানাডা আসে। অভিভাবকদের সঠিক তথ্য না জানিয়ে তারা একাজ করছে।
বছরের পড়া ও থাকা খাওয়ার খরচ মিলে কোটি টাকা চলে যাবে। মা বাবা ভাবেন মুক্ত, নিরাপদ ও প্রতিষ্ঠিত হবার সম্ভাবনা বেশি। এটা কাজে লাগবে। কিন্তু পারিবারিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা নরম প্রকৃতির বাংলাদেশের একজন ছাত্র ছাত্রীর উন্নত দেশ ও সমাজ, সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারনা নিখুঁত নয়। বাংলাদেশে তারা পারিবারিক অনুশাসনে বেড়ে উঠে। আর পশ্চিমা সমাজের মুক্তো সংস্কৃতিতে পড়ে খাপ খাওয়াতে পারে না।
পড়াশোনার পর ছুটিতে আনন্দে মেতে ওঠে। কেউ কেউ পাবে যায়। মদ খায় ও নেশা করে। বন্ধু বান্ধবী নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। এক পর্যায়ে লিভ টুগেদার করে। আবার অনেকে সঠিক পথে বাঙালি সংস্কৃতির সকল কর্মকান্ডে জড়িত থাকে। কানাডার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়। পড়া শোনা করে সাড়া জাগানো ফল করে।

এজন্য বাংলাদেশের মা বাবা তাদের সন্তান বিদেশে কি করছে তা সরেজমিনে দেখা ও প্রতিদিন তাদের জীবন যাপন খোঁজ নিতে হবে। এটা ২০ বছরের নীচে কিংবা উপরে বয়স যাই হোক। মুক্ত সংস্কৃতির ডামাডোলে জীবন হারিয়ে যেতে পারে।

টরেন্টোয় মহাসড়কের দুর্ঘটনায় পর এখন ও পুলিশ তদন্ত করছে। তবে মৃত্যু সনদের সার কথায় অ্যানজেলা, শাহরিয়ার খান ও আরিয়ান দীপ্তর মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে আভ্যন্তরীণ বহুমাত্রিক আঘাত ও অতিরিক্ত রকক্ষরণ। Very Violent collision and multiple blunt truma.

পুলিশ দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ জানাবে ঘোষণা দিয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থল এসে আগুন নিভিয়ে বিধস্ত গাড়ি থেকে গুরুতর আহত নিবিড়, অ্যানজেলা এবং শাহরিয়ার ও আরিয়ান এর মৃতদেহ উদ্ধার করে বলে পুলিশ সার্জেন্ট korry schmidt মিডিয়াকে জানিয়েছেন।

এরকম অবস্থার কানডার একজন আইনজীবী জানিয়েছেন, এ ধরনের অপরাধের শাস্তি হিসেবে নিবিড়কে আটক করা হতে পারে। অথবা কানাডা থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। কারণ গাড়িটি ৪০ মাইল গতির রাস্তায় ১৪০ মেইল গতিতে চালানোর রেকর্ড, ৭৬৮ নম্বর গাড়ির লাইসেন্স জটিলতা, খুনের চেষ্টা ও লাবিবের গাড়ির সংগে রেস করা।

কানাডার মহাসড়কের লেনে গাড়ি চালানোর গতি নির্ধারণ করা আছে। সড়কেও তাই। ক্যামেরা ফাঁকি দেয়ার সুযোগ নেই। তবে সব কিছু চূড়ান্ত হবে পুলিশ তদন্ত শেষে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park