মোশাররফ হোসেন: শনিবার ছিল চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন কানাডা ইনক এর বনভোজন। অন্টারিওর নৈসর্গিক সৌন্দর্য ভরা পিটারবোরোর বিভারমীড পার্কের মূল ছাউনিতে চট্টগ্রামবাসির তিন শতাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যের পারিবারিক উৎসবে ছিল আনন্দ বন্যা।

বৃষ্টিস্নাত বনভোজনে অংশ নিতে সকাল ১০টায় পৌছে যাবার পর নাস্তা ও চা খাবার মাধ্যমে বনভোজনের সূচনা করেন সংগঠনের সভাপতি সরওয়ার জামান, সাধারণ সম্পাদক সব্যসাচি চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ সনৎ বড়ুয়াসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় উপদেষ্টা ও পরিচালকদের মধ্যে আলমগীর হাকিম, সরওয়ার সেলিম, শিবু চৌধূরী, শওকত মাহমুদ, কফিলউদ্দিন পারভেজসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

বিশাল ক্যানভাসে সাজানো হয় বনভোজন চত্বর। ছবি তোলার জন্য চট্টগ্রাম কর্ণার, খেলা, খাবার ছাউনির ভেতর সাংস্কৃতিক মঞ্চ। লেকের তীরে অনেকে তাঁবু ও ছাতা বসিয়ে সবুজ ঘাসের উপর ম্যাট বিছিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গল্প জুড়তে দেন। কেউবা লেকের পানিতে বোটে বেড়াতে বেরিয়েছেন। আবার বাংলাদেশের মত লেকের পানিতে নেমে গোসল করেন।

ততক্ষণে মূল মঞ্চে সাধারণ সম্পাদক সব্যসাচি চক্রবর্তীর পরিচালনায় শুরু হয়ে যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মুক্তা পাল গেয়ে ওঠেন, এই স্বর্ণালী সন্ধ্যা, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু….মধু খই খই বিষ খাওয়াই লা,, এরপর ভার্জিনিয়া থেকে আগত অসীম রায় ও ভাই আরা চাটগাইয়া নওজোয়ান,, মাতিয়ে রাখেন।

দুপুর ০২:৩০ মিনিটে মধ্যাহ্নভোজের কিউ। বাহারি খাবার শেষে সাংস্কৃতিক পর্বে ফিরে আসে সবাই। পেনসিলভ্যানিয়া থেকে আসা জলি দাস আধুনিক ও চট্টগ্রামের গানে সবাইকে যখন মাতিয়ে রাখেন তখন ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। কিন্তু ছাউনির নিচে কোন মতে দাড়িয়ে ও বসে জলির গানের সাথে” চিরদিনই তুমি, যে আমার,, “নেচে গেয়ে বাজিমাত করেন। চট্টগ্রামের গান ছাড়া চটুল গান গেয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেন।

এরপর মহিলাদের বালিশ চালনা, শিশু কিশোরদের বালিশ চালনা ছিল উপভোগ্য। র্যাফেল ড্রর ২৬
পুরস্কার ছিল আর্কষনীয়। বিমান টিকেট, টিভি, ল্যাপটপসহ রকমারি পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে আনন্দ উৎসবের ইতি টানা হয়।