মোশাররফ হোসেন: লেখনী আসছে না! তবু লিখতে হল আমার মায়ের মৃত্যু সংবাদ । সাংবাদিকতার ৪০ বছর লিখেছি সকলের মৃত্যু সংবাদ । সত্যি আজ আমি মর্মাহত ও বেদনায নীল । আমাদের মা আছিয়া খাতুন বারধককোজনিত কারণে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে চলে গেলেন ( ইননালিলাহে,,, রাজিউন)। দূর আকাশের তারা হয়ে জল জল করছেন । যেমনটি আমার বাবা আলহাজ আবদুর রাজ্জাক ২০১৩ সালে চলে গিয়েছিলেন। মা জীবন পেলেন ৯৪, বাবা ৯৩।
মংগলবার জোহরের নামাজের পর বরিশাল এর গইলাতে নিজ বাড়ির মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার পাশে মা কে সমাহিত করা হবে।

মা , বৃটিশ আমল থেকে আমাদের একান্নবর্তি পরিবারের দায়িত্ব পালন করেছেন । আমরা ৯ভাই ও বোন কঠোর শৃঙ্খলা ও সমাজ কর্ম সূচি পালনে মানুষের জন্য কাজ করে এগিয়ে গিয়েছি। তাই তো রেলওয়ের কর্মকর্তা হিসেবে বাবার সীমাবদ্ধতা মনে রেখে কখনও অতি চাহিদা পূরণ না করে সবাইকে গড়ে তোলেন। তাইতো কেউ ডাক্তার, ইনজিযার, সাংবাদিক, বেয়াবসায়ী, শিক্ষক। মায়ের নাতি নাতনিরা উচ্চ শিক্ষিত।
শুধু তাই নয় । গইলা, গৌরনদীওআগৈলঝাড়া য় সীমিত আয়ের মধ্যে ভাল বাসা দিয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় পরিবারকে গড়ে তোলেন।
আমরা বৃটিশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশে, মা বাবার সুবাদে পেয়েছি বসবাস যোগ্য বাড়ি। এজন্য তাদের কাছে আমরা চিরৠণী। আমাদের আদর্শ, মা ও বাবার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।