নারী ক্রিকেটাররা সুখবর পেলেন, মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের করোনা আক্রান্ত তিন সদস্যের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
দলের বাকি সদস্যদের সবশেষ করোনা পরীক্ষায় বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) নেগেটিভ ফল এসেছে সবার। ফলে কোয়ারেন্টাইন শেষে বাড়ি ফিরতে আর কোনো বাধা থাকল না দলের ক্রিকেটার ও স্টাফসহ ১৯ সদস্যের।
গেল সপ্তাহে জানা যায়, জিম্বাবুয়ে ফেরত নারী দলের তিন সদস্য করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত। তবে, তাদের অবস্থা স্থিতিশীল আছে। রাজধানীর এক পাঁচতারকা হোটেল থেকে তাদের মুগদা হাসপাতালে নিয়ে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
তবে, কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর, দলের বাকি ১৯ সদস্যের সবারই সবশেষ করোনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। ফলে তারা মিরপুরে নারী ক্রিকেট দলের হোস্টেল থেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে পারবেন।
এরই মধ্যে ২০২২ আইসিসি নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ হয়েছে। নিউজিল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দলের ম্যাচ দিয়ে ৪ মার্চ শুরু হবে বিশ্বকাপ। তারপর দিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হবে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের। আর ২৭ মার্চ গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লড়বে বাংলার মেয়েরা।
আট দলের অংশগ্রহণে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে ম্যাচ হবে ৩১টি। এছাড়া প্রথম রাউন্ডে খেলা গড়াবে ২৮টি ম্যাচ। যেখানে সেরা চারে থাকতে পারলে মিলবে সেমিফাইনালের টিকিট। সে হিসেবে প্রথম রাউন্ডে প্রতিটি দল সাতটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।
প্রথম রাউন্ডে লিগ ফরম্যাটে সব দল একে অপরের বিপক্ষে খেলবে একটি করে ম্যাচ। প্রথম রাউন্ডে হওয়া ২৮ ম্যাচ শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চার দল পাবে সেমিফাইনালের টিকিট। যেমনটা দেখা গিয়েছিল ২০১৯ সালে পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে।
আরও পড়ুনঃ নেতৃত্বে স্মিথ, রেস্তোরাঁয় গিয়ে কপাল পুড়ল কামিন্সের
গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ হবে ২৭ মার্চ। এছাড়া দুই সেমিফাইনাল হবে ৩০ ও ৩১ মার্চ। পরে ৩ এপ্রিল হবে ফাইনাল ম্যাচ।
আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়েতে ওমিক্রনের প্রকোপ আশীর্বাদ হয়ে আসে বাংলাদেশ নারী দলের জন্য। এর ফলে অবসান হয় দীর্ঘ অপেক্ষার। আইসিসির র্যাঙ্কিংয়ে ৫ নম্বরে উঠে আসে বাংলাদেশ। আর এ কারণেই ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নেয় সালমা খাতুন, জাহানারা আলমরা।