শীতের পোশাক হিসেবে জুতা এবং মোজা অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে এ দুটি আমাদের প্রায়ই পরা হয়। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে যখন মোজা থেকে করে বের হয় দুর্গন্ধ। মোজায় দুর্গন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ পা ঘেমে যাওয়া। শীতে অনেকেরই হাত-পা ঘামার সমস্যা দেখা দেয় তীব্রভাবে। আর যাদের ঘামে না, তাদের মোজাও হতে পারে দুর্গন্ধ।
দীর্ঘ সময় ধরে পা ঘামে ভিজে থাকলে দুর্গন্ধ ছড়ায়। কারণ, ঘামে ভেজা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার দ্রুত হয়। এর পর সময়ের সঙ্গে দুর্গন্ধও বাড়তে থাকে।
সিনথেটিক মোজার ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারে না। ঘাম শোষণেও অকার্যকর। এ ধরনের মোজ পায়ে দুর্গন্ধ বাড়ায়। এ ছাড়া কৃত্রিম চামড়ার জুতা পরলে পায়ে দুর্গন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। কৃত্রিম চামড়ার ভেতর থেকে বাতাস চলাচল করতে না পারার কারণে পা ঘেমে যায় দ্রুত।
এছাড়া পায়ের যত্নে উদাসীনতা বা আলসেমির কারণে পায়ে নানা ধরনের রোগ হলেও দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।
দুর্গন্ধ থেকে বাঁচার উপায়
‣‣ জুতার মধ্যে সামান্য বেকিং সোডা মাখিয়ে রাখুন। পরদিন জুতার ওই অংশটি ভালো করে মুছে পরিষ্কার করে তারপর পরুন। এতে দুর্গন্ধ হবে না। তবে চামড়ার জুতায় বেকিং সোডা ব্যবহার করবেন না।
‣‣ পুরনো মোজা হলে ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে গিট বেঁধে জুতায় রেখে দিতে পারেন। পরদিন ওই মোজা পরে যান। দেখবেন কোনও গন্ধ থাকবে না।
‣‣ এক টুকরো কাপড় বা তুলা লবঙ্গ তেলে ভিজিয়ে জুতোর মধ্যে রেখে দিন। উপকার পাবেন।
‣‣ ফুটন্ত পানিতে টি ব্যাগ ফেলে রাখুন ২ মিনিট। ঠাণ্ডা হলে জুতোর মধ্যে রেখে দিন। এক ঘণ্টা পর ওই টি ব্যাগ সরিয়ে জুতোর ভেতরের অংশ ভালো করে মুছে নিন। দেখবেন উপকার পাবেন।
‣‣ এক জোড়া জুতা রোজ না পরে জুতা পালটে পালটে পরুন। জুতা বদ্ধ জায়গায় না রেখে আলো-বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখুন।