1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
March 11, 2026, 1:17 pm
সংবাদ শিরোনাম :
“দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান মাঠটি ভাবেনি তাকে নিয়ে এত কিছু হবে এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার অন্যায়ভাবে বাদ পড়লে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাবেন সাংবাদিকরা: তথ্যমন্ত্রী মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে: প্রধানমন্ত্রী দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী ফুলছড়িতে গৃহবধূর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল পদোন্নতি পাওয়া দুই সেনা কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারের বিষয় দেখার পর মন্তব্য করবেন তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন কানাডা ইনক ,বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ও মনচো ৭১ যৌথভাবে একুশ, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও ইফতার

ভিসানীতিকে বাংলাদেশের মানুষ ভয় করেনা, শেখ হাসিনা মাথা নত করে চলেন না…

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৩
  • 270 বার পঠিত
মোশাররফ হোসেন: সামরিক শক্তি প্রয়োগ কিংবা আগ্রাসনে না গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কুটকৌশল আরোপ করে চলেছে। সর্বশেষ বাজেভাবে আফগানিস্তান ছেড়ে আসার পর থেকেই ভিসা নীতির আওতায় বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পর্যায়ের মানুষের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। আবার কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জন্য কূটনৈতিকসহ দায়িত্বশীল মানুষকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করছে। এর ফলাফল কী ? চীন, রাশিয়া, পরাশক্তির সংগে না হয় সামরিক ও অর্থনৈতিক বিরোধ আছে। কিন্ত উন্নয়নশীল দেশের সংগে কেন বিরোধ ? এটা হল সরকার পরিচালনা ও নেতৃত্ব বিষয়ক। নতজানু ও আজ্ঞাবহ সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকতে হবে। মাথা উঁচু করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বশীল নেতৃত্ব থাকলে এটা সম্ভব নয়। ভূরাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগর জুড়ে জলে স্থলে ,অন্তরীক্ষে চীনকে ঠেকানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখন মরিয়া। এজন্য তারা ভারতের সংগে যৌথভাবে সামরিক শক্তি দেখাতে চায়। আর একারণেই যুক্তরাষ্ট্র বলয়ের দল ও নেতৃত্ব বাংলাদেশে চাচ্ছে। কিন্ত উন্নয়নের মহাসড়কে পৌছে গেছে বাংলাদেশ ।আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মত মাথা নত করেননা। মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন। খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থানসহ বাংলাদেশের মানুষ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের সবার সাথে সুসম্পর্ক। রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ভারত, কোরিয়া সহ বিভিন্ন দেশের বড় বিনিয়োগ রয়েছে বাংলাদেশে। এটাই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন একজন শেখ হাসিনা।
কিন্ত শেখ হাসিনার এ অর্জন সইছে না একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ও বিএনপি। তারা শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় রেখে নির্বাচনে ভরাভুবির আশঙ্কা করছেন। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান দন্ডিত। একারণে তাদের নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ও তথাকথিত বাম ঘরানার নাম সর্বস্ব নেতৃত্বের সংগে জোট বেধেছেন।সুযোগ বুঝে ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে নির্বাচন করতে চান। এজন্য তারা লবিস্ট নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকার ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার জন্য অনুরোধ করে যাচ্ছেন। যদিও বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে ভারত সব অবহিত করেছে। তারা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বাংলাদেশের জন্য জরুরি বলেছেন।এমনকি জাতিসংঘের অধিবেশন শেষে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জয়শংকর বর্তমানে ওয়াশিংটন। কানাডার সাথে ভারতের টানাপোড়েন ও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বিলিংকেনের সংগে বৈঠক করেন। এতে ভিসানীতি বিষয়ক কথা বলেছেন বলে কূটনৈতিক সূত্রের খবরে জানা গেছে। বাংলাদেশের ওপর ভিসানীতি আরোপ করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাই ভীষণ সতর্ক। র‌্যাবসহ সমাজের বিভিন্ন রকম গুরুত্বপূর্ণ মানুষের ওপর তা কার্যকর করতে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। আর নির্বাচনে হস্তক্ষেপ না করলেও জনতার অংশগ্রহণ কীরূপ ধারণ করে তার অপেক্ষা করবে বলে মনে হচ্ছে। নির্বাচনে বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধেও আরোপ করার সম্ভাবনা রয়েছে। সময় বলে দেবে কী ঘটবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদ সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আসন্ন নির্বাচনে বিপুলভাবে অংশগ্রহণ করবে। তারা ভিসানীতি তোয়াক্কা করেনা। সাংবিধানিক পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে ।আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে। সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ ক্ষেত্রে মিডিয়া নেই বলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্র মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন।  আর ২০০৪সালে র‌্যাব গঠন, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র প্রদান করে যুক্তরাষ্ট্র। এখন তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘন অভিযোগ করছেন তারা। ঠিক যেমন আইএস আই এস ও তালেবানকে তৈরির অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীন ও রাশিয়ার। তাই মানুষের ঐক্যবদ্ধতা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রূখে দেবে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park