1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
May 15, 2026, 1:41 am
সংবাদ শিরোনাম :
মিস-ইনফরমেশন ও ডিস-ইনফরমেশন মোকাবিলায় ডিসিদের নির্দেশনা শিগগিরই ১০ম ওয়েজবোর্ড গঠন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা করতে ডাটাবেজ হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী এসো হে বৈশাখ, এসো এসো প্রতিটি গণমাধ্যমকে ফ্যাক্ট চেকিং নিশ্চিত করে সংবাদ প্রচার করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সাধুর বাজারে—-মিনার মনসুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৭তম জন্মদিন আজ দূরবীণ ২৪.কম এর ৭ম জন্মদিন আজ ‘সরকার প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়’ হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে “দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান

ভেনামির অতি নিবিড় চাষ শুরু, হেক্টরে পাওয়া গেল ৮০ টনের বেশি চিংড়ি

  • প্রকাশিত : সোমবার, জুলাই ১৫, ২০২৪
  • 205 বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রথমবারের মতো অতি নিবিড় পদ্ধতিতে উচ্চফলনশীল প্রজাতির ভেনামি চিংড়ি চাষ শুরু করেছে কক্সবাজারের একটি খামার। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি তাদের চাষ করা চিংড়ি প্রথমবারের মতো আহরণ (হারভেস্ট) করেছে। সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড নামের এই প্রতিষ্ঠান প্রতি হেক্টরে ৮০ টনের বেশি চিংড়ি উৎপাদন করতে পেরেছে। সনাতন পদ্ধতির চাষে মাত্র পাঁচ শ কেজির মতো চিংড়ি পাওয়া যায়।

চিংড়ি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অতি নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি চিংড়ি চাষ অনেক ব্যয়বহুল। এই চাষে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, ফলে এর ব্যবস্থাপনাও আলাদা। তবে এ পদ্ধতির চাষ বাড়ানো গেলে চিংড়ি রপ্তানি আয় কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও কম মূল্যে চিংড়ি বিক্রি করা যাবে।

ভেনামি একটি উচ্চফলনশীল চিংড়ি। উচ্চ ফলনের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতার জন্যও এটি এখন সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে চাষ করা হচ্ছে। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে উৎপাদিত চিংড়ির ৮০ শতাংশই ভেনামি জাতের। দেশে ভেনামির পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয় ২০১৯ সালে। চার বছর ধরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এ চিংড়ির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর অনুমতি দেয় সরকার। এরপর দেশের বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা সনাতন ও আধা নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি চাষের উদ্যোগ নেন। তবে অতি নিবিড় পদ্ধতির চাষ কার্যক্রম প্রথমবারের মতো হাতে নেয় সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড।

সাধারণত সনাতন, আধা নিবিড়, নিবিড় ও অতি নিবিড়—এই চার পদ্ধতিতে ভেনামি চাষ করা হয়। এর মধ্যে উখিয়ায় অতি নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি উৎপাদন করছে সীমার্ক। সুপার ইনটেনসিভ হিসেবে পরিচিত পদ্ধতিতে প্রতি বর্গমিটারে ৩৩০টি চিংড়ি চাষ করা সম্ভব, যেখানে সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি বর্গমিটারে সর্বোচ্চ ৫টি চিংড়ি চাষ করা যায়। এ ছাড়া অতি নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ির জীবিত থাকার হার প্রায় ৯০ শতাংশ।

চিংড়ি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সনাতন উপায়ে খামারে চাষ করলে প্রতি হেক্টরে ৫০০ কেজির মতো বাগদা চিংড়ি পাওয়া যায়। আর আধা নিবিড় পদ্ধতিতে চাষ করলে প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ ৫–৬ টন পর্যন্ত বাগদা উৎপাদন করা সম্ভব। সেখানে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে প্রতি হেক্টরে ৮–১০ টন ভেনামি চিংড়ি পাওয়া যায়। আর অতি নিবিড় পদ্ধতিতে চাষ করলে প্রতি হেক্টরে ৮০-১০০ টনের মতো ভেনামি চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব। অর্থাৎ ভেনামির উৎপাদনের হার অনেক বেশি।

খুলনায় আধা নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি চাষ করেছে এমইউ সি ফুডস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল দাস বলেন, অনেক খামারি এখন আধা নিবিড় ভেনামি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। অতি নিবিড় পদ্ধতিতে ফলন অনেক বেশি হলেও এ জন্য বড় বিনিয়োগ ও দক্ষতা প্রয়োজন। তবে সরকার নীতি সহায়তা দিলে নিবিড় পদ্ধতির চাষ আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ বলেন, ভেনামি অনেকটা ব্রয়লার মুরগি বা উচ্চফলনশীল ধানের মতো। যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা বেশি এবং জমির সংকট রয়েছে, তাই এমন উচ্চ ফলনশীল চিংড়ি চাষের বিকল্প নেই। বাকি বিশ্বও সেদিকেই যাচ্ছে।

ইকবাল আহমেদ আরও বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো ভেনামি চাষে ইতিমধ্যে বেশ এগিয়ে গেছে। এখনো যদি আমরা শুরু করতে পারি, তাহলে বৈশ্বিক বাজার ধরতে পারব। তবে শুধু দু–চারজন চাষ করলে হবে না। এ জন্য সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারের সহযোগিতা পেলে ও চাষিরা বৈজ্ঞানিক চাষে উদ্বুদ্ধ হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ খাতে রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park