৮১ বল হাতে রেখে জয় তুলে নিল ভারত। স্কটল্যান্ডের দেওয়া ৮৬ রানের টার্গেট ৮১ বল হাতে রেখেই পৌঁছে গেছে ভারত। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত ৮ উইকেটে জয় পেয়েছে। এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় জয় ভারতের। এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে জাদেজা-শামির বোলিং তোপে ৮৫ রানেই সবকটি উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড।
স্কটল্যান্ডের দেওয়া ৮৬ রানের টার্গেটে শুরু থেকেই মারমুখি হয়ে খেলতে থাকেন লোকেশ রাহুল এবং রোহিত শর্মা। দলের হয়ে ১৯ বলে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন লোকেশ রাহুল। এছাড়াও রোহিত শর্মা করেন ৩০ রান। স্কটল্যান্ডের হয়ে কেউই সুবিধা করতে পারেনি বোলিংয়ে। ব্রাড উইল এবং মার্ক ওয়াট পান একটি করে উইকেট।
এদিকে টসে জিতে বোলিংয়ে নেমে শুরু থেকেই স্কটল্যান্ডকে চাপে রাখে ভারতীয় বোলাররা। কিপটে বোলিংয়ের সাথে নিয়মিত নিতে থাকেন উইকেট। দলের হয়ে ৪ ওভারে ১৫ রান খরচে ৩টি উইকেট নেন ভারতের বাঁহাতি স্পিনার রবিন্দ্র জাদেজা। এছাড়াও শামি নিয়েছেন ৩ উইকেট ১৫ রান খরচে। এছাড়াও বুমরা নেন ২টি উইকেট।
অপরদিকে ব্যাটিং করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের কাছে ধুঁকছিল স্কটল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন জর্জ মুনসে। মাত্র চারজন ব্যাটসম্যান পার করতে পেরেছেন দুই অংকের ঘর।
এবারের আসরের সুপার টুয়েলভের দুই নম্বর গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে পাকিস্তান। তাদের সঙ্গী হওয়ার সুযোগ এখনও ভারতের সামনে। যদিও ৪ ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টিম ইন্ডিয়ার অবস্থান এখন টেবিলের তিন নম্বরে। দিনের প্রথম ম্যাচে নামিবিয়াকে ৫২ রানে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। ফলে সেমিফাইনালে যেতে হলে ভারতকে নিজেদের শেষ ম্যাচটি বড় ব্যবধানে জিততে হবে নামিবিয়ার বিপক্ষে।
শুধু জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ড এবং আফগানিস্তানের ম্যাচে দিকে। কারণ যদি সে ম্যাচে নিউজিল্যান্ড আফগানদের বিপক্ষে জয় পায় তবে কোনো সমীকরণই কাজে দেবে না ভারতের জন্য। এদিকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান।
আফগানিস্তান এবং নিউজিল্যান্ড খেলেছে ৪ ম্যাচ করে। যদি নিউজিল্যান্ড আফগানদের সাথে হারে তবে ভারতের সামনে সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কেননা কোহলিরা পরের দুই ম্যাচে জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ৬।