নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাডার সংবিধানে তিন বিষয়ে নাগরিকদের স্বাধীনতা দেয়া আছে সেই জন্মলগ্ন ১৮৬৭ সাল থেকে। ১৯৮২ সালে সংশোধন হবার পরও স্বাধীনতা খর্ব করা হয়নি। কী সেই স্বাধীনতা?
১।চিন্তা, বিশ্বাস, মতামত, প্রেস ও মিডিয়ার মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা
২। জ্ঞানের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীণতা,
৩। শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা।
কানাডা বিশ্বের একমাত্র কললাণকামী রাষ্ট্র। কিন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের আগমনের ফলে কানাডার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। স্বাধীনতার নামে অনেকেই স্বেচছাচারি হয়ে উঠছেন। যৌন সংক্রান্ত , উস্কানি, সামাজিক বিদ্দেশ ও ঘৃণা ছড়ানোর মত ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।
এজন্য সরকারের পুলিশ, আরসি এম পি ধারাবাহিক অভিযানের পরও অনেক কিছুই রোধ করা কঠিন হচ্ছে।
এরকম পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে সরকারের আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয় “online harms act নামে bill c -63 ” গত ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ সংসদে উত্থাপন করেছে।
এর ব্যাখ্যাতে আইনমন্ত্রী আরিফ ভিরানি বলেছেন, ৭টি কারণে এ বিল সংসদে আনা হয়েছে। শিশুদের যৌন সংক্রান্ত খবর প্রকাশ, সন্ত্রাস, বিদ্বেষ , ঘৃণা ছড়ানো , সামাজিক বিষয়ক উস্কানি দেয়া, ব্যাক্তিগত বিষয় যোগাযোগ ছাড়া সংবাদ প্রকাশ । এরকম বিষয় অনলাইনে , ফেইসবুক , ইউটিউবে প্রকাশ করা যাবে না।
এটা নিম্ন পরিষদ , সিনেটে আলোচনার পর সংসদে তোলা হয়েছে। একটি ডিজিটাল সেফটি কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।
এটি ভঙ্গ করা হলে ১০মিলিয়ন ডলার থেকে ২৫মিলিয়ন ডলার জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি আজীবন কারাদন্ড।
২০২১ সালে বিলটি উত্থাপনের পর নিম্ন পরিষদ ও সিনেটে আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছিল।
মানবাধিকার সংস্থা ইতিমধ্যে বিলটি নিয়ে বলেছে ,এতে নাগরিকদের ব্যাক্তি স্বাধীনতা খর্ব হতে পারে। যা কানাডার সংবিধানে দেয়া তিন স্বাধীনতা পরিপন্থী।
যাতে নাগরিকদের চিন্তা, মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা ও প্রেস, মিডিয়ার স্বাধীণতা দেয়া আছে।
অনলাইন নিউজ কন্টেন্ট কানাডার ফেইসবুক ও ইউটিউবে দেয়া যায়না। এবার ফেইসবুক ও ইউটিউব সহ অনলাইন নিউজ ও মতামত প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হতে যাচ্ছে।
এ নিয়ে ফেইসবুক নেগেটিভ ও বিদ্দেশ ছড়ানো, ঘৃণা ছড়ানোর মত বিষয় প্রকাশে সহযোগিতা করবেনা বলে কানাডার আইন মন্ত্রণালয় ও গ্লোবাল টিভিকে জানিয়েছে।