1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
May 31, 2026, 2:03 pm
সংবাদ শিরোনাম :
মিস-ইনফরমেশন ও ডিস-ইনফরমেশন মোকাবিলায় ডিসিদের নির্দেশনা শিগগিরই ১০ম ওয়েজবোর্ড গঠন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা করতে ডাটাবেজ হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী এসো হে বৈশাখ, এসো এসো প্রতিটি গণমাধ্যমকে ফ্যাক্ট চেকিং নিশ্চিত করে সংবাদ প্রচার করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সাধুর বাজারে—-মিনার মনসুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৭তম জন্মদিন আজ দূরবীণ ২৪.কম এর ৭ম জন্মদিন আজ ‘সরকার প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়’ হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে “দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান

ইংলিশদের কাছে পাত্তাই পেল না অজিরা

  • প্রকাশিত : শনিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২১
  • 287 বার পঠিত

বাংলায় একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে, ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’। দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এটি আবারো সত্য প্রমাণিত হলো। বিশ্ব ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের লড়াই দেখতে মুখিয়ে ছিল সবাই। উত্তেজনায় কাঁপছিল ভক্ত-সমর্থকরাও। হবেই না কেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পর্বের অন্যতম সেরা দ্বৈরথ বলে কথা। তবে জমজমাট এই লড়াইয়ে ইংলিশদের কাছে পাত্তাই পেল না অজি বাহিনী। টিম অজিদের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় জয় পেল ইয়ন মরগ্যানের দল।

প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের বোলারদের নৈপুণ্যে মাত্র ১২৫ রানে আটকে গিয়েছিল অ্যারন ফিঞ্চের ইনিংস। এরপর সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যেন আরও বিধ্বংসী ভূমিকায় ইংলিশ ব্যাটাররা। জেসন রয় এবং জস বাটলারের দুর্দান্ত ক্যামিওতে কোনো উইকেট না হারিয়েই মাত্র ৬ ওভারে ৬৬ করে ফেলে ইংল্যান্ড।

তবে এরপরই অ্যাডাম জাম্পার বলে এলবিডব্লিউ হন জেসন রয়। ১টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ২০ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি। ইংল্যান্ড ৬৬ রানে ১ উইকেট হারায়। তবে অন্য প্রান্তে দুর্দান্ত খেলতে থাকেন বাটলার। ৪টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ২৫ বলে ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

এরপর ডেভিড মালান ৮ রান করে আউট হয়ে গেলেও রানের চাকা সচলই ছিল। ১১.৪ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায় ইংলিশরা। ৫০ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জেতেন মরগ্যানরা। জস বাটলার ৩২ বলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

এদিকে, ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত বল করে ম্যাচসেরা ক্রিস জর্ডান। ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন তিনি।

এর আগে হাইভোল্টেজ ম্যাচে শনিবার (৩০ অক্টোবর) দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ক্যাঙ্গারু বাহিনী। শেষ পর্যন্ত অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের ব্যক্তিগত ৪৪ রানে ভর করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানের পুঁজি গড়ে অস্ট্রেলিয়া। এ ম্যাচে জিততে হলে ইংল্যান্ডকে করতে হবে ১২৬ রান।

প্রথম ওভার উইকেট শূন্য থেকে শেষ করার পর ইংলিশ বোলারদের তোপে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ ওভারে দলের সেরা তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় অজিরা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গত ম্যাচে বড় রানের মুখ দেখলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফের ব্যাট হাতে ব্যর্থ ডেভিড ওয়ার্নার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ক্রিস ওকসের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। আউট হওয়ার আগে ২ বলে ১ রান করেছেন।

ওয়ার্নারের হতাশার দিনে ব্যাট হাতে ব্যর্থ স্টিভ স্মিথও। তৃতীয় ওভারে ক্রিস জর্ডানের বলে ওকসের হাতে ধরা পড়েন স্মিথ। ৫ বলে করেছেন মাত্র ১ রান। এরপর চতুর্থ ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ফেরান ক্রিস ওকস।

ইনিংসের সপ্তম ওভারে আদিল রশিদের বলে এলবিডব্লিউ হন মার্কাস স্টয়নিস। ৪ বল খরচায় কোনো রান না করেই আউট হন তিনি। ২১ রান তুলতে গিয়েই ৪ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর ১২ তম ওভারে লিভিংস্টোনের বলে জেসন রয়ের হাতে ধরা পড়েন ম্যাথিউ ওয়েড। আউট হওয়ার আগে দুই বাউন্ডারির সাহায্যে ১৮ বলে ১৮ রান করেন তিনি।

প্রথম ১৫ ওভারে রান না পেলেও শেষদিকে ঝড় তোলেন অজি ব্যাটাররা। ইনিংসের ১৭তম ওভারে ক্রিস ওকসের বলে জোড়া ছক্কা হাঁকান অ্যাস্টন এগার। এই ওভারেই মোট ২০ রান উঠে। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি অ্যাগারও। তাকে ফিরিয়েছেরন টাইমাল মিলস। দুই ছক্কার সাহায্যে ২০ বলে ২০ রান করে লিভিংস্টোনের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার একপ্রান্তের ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রাখছিলেন অধিনায়ক ফিঞ্চ। তবে ১৯তম ওভারে ব্যাক্তিগত ৪৪ রান করে জর্ডানের বলে বেয়ারস্টোর হাতে ধরা পড়েন তিনি।

অ্যাশেজ দু’দলের লড়াইকে নিয়ে গেছে ভিন্ন স্তরে। ঐতিহাসিক সে টেস্ট সিরিজ আবারো মাঠে গড়াবে ডিসেম্বরে। বারুদে টেস্ট সিরিজের আগে টি-টোয়েন্টির বিশ্ব মঞ্চে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড।

টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি ১৯ দেখায় ১০টিতে জিতেছে অজিদের। ৮ জয় আছে থ্রি লায়নদের। বিশ্বকাপে দুইবার দেখায় ১টি করে জয় আছে দু’দলের। তবে, সবশেষ সাক্ষাতে ২০১০ আসরের ফাইনালে এই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইংল্যান্ড।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park