গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেড়েছে। সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ২২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১৯ হাজার ৯১৮ জন।
শনিবার (৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার (৮ অক্টোবর) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৫০ জন হাসপাতালে ভর্তি হন।
অধিদপ্তর জানায়, গতকাল সকাল থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ভর্তি হয়েছেন ১৬৫ জন। ঢাকার বাইরে ভর্তি হয়েছেন ৫৯ জন।
চলতি বছর মোট আক্রান্তদের মধ্যে অক্টোবরের প্রথম ৮ দিনে ১৭২১ জন, সেপ্টেম্বরে ৭ হাজার ৮৪১ জন, আগস্টে ৭ হাজার ৮৪১ জন, জুলাইয়ে ২ হাজার ২৮৬ জন এবং জুন মাসে ২৭২ জন ও মে মাসে ৪৩ ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে ঢাকার ৪৬টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭৯০ জন এবং অন্যান্য বিভাগে ভর্তি আছেন ১৮৩ জন।
চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৭৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ জন, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে ১ জন করে মারা গেছেন।
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণসমূহ:
১। প্রচণ্ড জ্বর
২। তীব্র মাথাব্যথা
৩। বমি
৪। শরীরে লাল র্যাশ ওঠা
৫। মাংসপেশীতে ব্যথা
৬। চোখের পেছনে ব্যথা
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:
১। মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করা।
২। ঘর ও আশপাশের যে কোনো পাত্রে বা জায়গায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা যাতে এডিস মশার লাভা বিস্তার না করতে পারে।
৩। ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, নারকেলের মালা, কনটেইনার, মটকা, ব্যাটারি সেল ইত্যাদি প্রতিনিয়ত পরিষ্কার করা; যাতে এডিস মশা বিস্তার না করতে পারে।
৪। রাতে বা দিনে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা।
৫। স্বাস্থ্যকর পরিবেশ স্থাপন করা।
৬। মশা নিধনের ওষুধ, স্প্রে কিংবা কয়েল ব্যবহার করা।
৭। জানালাতে মশা প্রতিরোধক নেট ব্যবহার করা।