মোশাররফ হোসেন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন কানাডার কর্মকর্তা, সদস্য ও পরিবারের মিলনমেলা ছিল আনন্দে ভরপুর। ডওস রোড, টরেন্টোর টেইলর ক্রেক পার্কের নয়নভিরাম টিলার ওপর রকমারি গাছের ছায়াশীতল মনোরম পরিবেশে শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা মেতেছিলেন শিশু কিশোর যুবক ছাত্রজীবনের সহপাঠীরা।

এ যেন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নৈসর্গিক ক্যাম্পাসের সাজানো রূপ। চারিদিকে গাছের সারি আর তাবুর নীচে ছড়িয়ে সবাই আসন নেন।
বনভোজনে সকাল থেকে নিজ নিজ গাড়ি ও পাবলিক ট্রেন ও বাসে করে সবাই আসেন। বাসা ও বাড়ি যাদের কাছে তারা আসেন হেটে। বৃষ্টির পর রোদ উঠলে প্রকৃতি যেন নবরূপে আবির্ভূত হয়। প্রকৃতি প্রেমিকরা তাই ছিলেন আনন্দলোকে।
এরকম পরিবেশে বনভোজনে সবাই কে স্বাগত জানান সংগঠনের সভাপতি ডঃ এ এম তোহা, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, আহ্বায়ক শেখ জসিম উদ্দিন সহ কর্মকরতাবৃন্দ।
নাস্তা ও চায়ের পর শুরু হয়ে যায় খেলা। ওয়াটার পিংপং চীনা এক খেলা। ছয়টি গ্লাসে পানি ভরা। টেবিল টেনিস বল তথা পিংপং বল পাচটি। এসব ছুড়ে পানির গ্লাসে ফেলতে হবে। আনন্দের মধ্যেই কিশোর যুবক যুবতীরা এতে অংশ নেন। আবার দুপুরের খাবার পর ছিল ফুটবল কিক করে গোল করা।

এসব পরিচালনা করেন ক্রীড়া সম্পাদক নাসিম বেগম লাভলী ,জহিরুল হক চৌধুরী।
সব্জিডাল, মুরগী খাসি ফিরনি মিলে দুপুরের খাবার ছিল মুখরোচক।তবে গরমের বন্ধু তরমুজ ও ঝালমূড়ি বাদ যায়নি।
অতঃপর সাংস্কৃতিক সম্পাদক তানভির এস হকের পরিচালনায় পড়নত বিকেলে মারুফ রাসেল, কাজী বাসিত, সীমা নাথ গানে গানে সবাইকে মাতিয়ে তোলেন।
মারুফের ‘সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে,, তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে,, সীমা নাথের মধু খই খই বিষ খাওয়াইলা ,,এবং জব্বার ও তার সংগীদের তুমি বন্ধু কালা পাখি,, সাদা সাদা, কালা কালা ,, গান ছিল মনোমুগ্ধকর।
সবশেষে রাফেল ড্র আকর্ষণীয় পুরস্কার নিয়ে বাড়ি ফেরা।৬৫ ইঞ্চি টিভি জিতে নেন তারেক।
আবার দেখা হবে টরেন্টোরর ভিন্ন এক নৈসরগিক মিলনমেলায়। এভাবেই ইতি ঘটে বনভোজনের বিদায় বেলায়।