1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
June 25, 2026, 2:25 pm
সংবাদ শিরোনাম :
মিস-ইনফরমেশন ও ডিস-ইনফরমেশন মোকাবিলায় ডিসিদের নির্দেশনা শিগগিরই ১০ম ওয়েজবোর্ড গঠন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা করতে ডাটাবেজ হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী এসো হে বৈশাখ, এসো এসো প্রতিটি গণমাধ্যমকে ফ্যাক্ট চেকিং নিশ্চিত করে সংবাদ প্রচার করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সাধুর বাজারে—-মিনার মনসুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৭তম জন্মদিন আজ দূরবীণ ২৪.কম এর ৭ম জন্মদিন আজ ‘সরকার প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়’ হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে “দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান

নিজের দোষে ফেল করেছে মিম, পেয়েছে ২৩.৫০: বিভাগীয় চেয়ারম্যান হালিম

  • প্রকাশিত : বুধবার, মার্চ ২০, ২০২৪
  • 193 বার পঠিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম ও টেলিভিশন বিভাগের ছাত্রী কাজী ফারজানা মীম কর্তৃক শিক্ষক আবু সাহেদ ইমনের বিরুদ্ধে তোলা যৌন হয়রানির অভিযোগের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডিবি কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল দুই শিক্ষককে।

বুধবার (২০ মার্চ) দুপুর সোয়া ২টা থেকে মূল অভিযুক্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম ও টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষক আবু সাহেদ ইমন ও একই বিভাগের চেয়ারম্যান জুনায়েদ আহমেদ হালিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম ও টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান জুনায়েদ আহমেদ হালিম সাংবাদিকদের বলেন, নিজের দোষে ফেল করেছে মিম। তাকে ডেকেও মিড টার্ম বা এসাইনমেন্ট করানো যায়নি। ১০০ মার্কসের মধ্যে পাস ৪০ এ। সেখানে সে পেয়েছে ২৩.৫০।

ডিবি কার্যালয়ে ডাকা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হালিম বলেন, ডিবি প্রধান আমাদের ডেকেছিলেন। নানা বিষয়ে জানতে চাইলেন। আমরা আমাদের মতো করে সব বলেছি। অভিযোগ তো দুই রকমের। এর মধ্যে একটা যৌন হয়রানি সংক্রান্ত। সেটি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। যার ফলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট (তদন্তকারি, অভিযুক্ত, অভিযোগকারি, সাক্ষি) কেউ কথা বলতে পারবো না। এটা বিচারাধীন।

তবে অন্য বিষয়টি ছিল মিমের ফেল ইস্যু? মিম নামে ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় কীভাবে শূন্য পেল? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‍বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার রেজাল্ট ফাইনাল করার একটা ফর্মুলা আছে। গোপনীয়ভাবে খামে নম্বরপত্র সংগ্রহ করা হয়। এইক্ষেত্রে বিধিটাই এমন। গোপনীয়ভাবে নম্বরপত্র সিলগালা করে সংগ্রহ করা হয়। কেউ যদি ১০০ স্কোরের মধ্যে ৪০ পায় তাহলে সে পাস। বেশি হলে ফর্মুলা অনুযায়ী গ্রেড নম্বরটা হয়।

হালিম বলেন, ওই শিক্ষার্থী সেকেন্ড ইয়ারের সেকেন্ড সেমিস্টারে এক কোর্সে যেটা আরেকজন শিক্ষক নিয়েছেন তার নাম হুমায়রা ফাতেমা আমিন। ওই কোর্সে ৪০ মার্কস থাকে। দুটো মিড টার্মে ১০+১০=২০, এসাইনমেন্ট-১০, ক্লাস এটেন্ডেন্ট-১০। এই ৪০ মার্কস শুধুমাত্র ওই কোর্স টিচারের এখতিয়ার। অন্য কেউ বা অন্য কোনো শিক্ষক এটার রেসপন্সিবলও না। ওই শিক্ষার্থী ম্যাডামের ৪০ মার্কসের কোনো কাজে যোগ দেয় নাই। মিড টার্ম বা এসাইনমেন্টও জমা দেয়নি। তিনবার নোটিশ দিয়ে দিয়ে ওই শিক্ষক মিড টার্ম নিয়েছে। কিন্তু মিম যোগাযোগও করেনি। শিক্ষক তো আর অনন্তকাল বসে থাকবে না। সে কারণে সে জিরো পেয়েছে। এখন তার পাস ফেল তো বাকি ৬০ মার্কসের মধ্যে। সেখানে যদি সে ৪০ পাইতো তাহলেও সে পাস করতো। কিন্তু সেটা সে পায়নি।

সে সেকেন্ড ইয়ারে ফেল, এরপর চতুর্থ সেমিস্টারে আরেকটা কোর্সেও ফেল আছে। আর সপ্তম সেমিস্টারে কনটিউনিটি ফিল্ম রাইটিং কোর্স আছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের আমরা চারটা করাই। খুবই কঠিন। সিনেমা তৈরি করতে এসব শেখানো হতো।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থী আসলে কতো মার্কস পেয়েছিল? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে মূলত ১০০ মার্কসের মধ্যে পেয়েছিল ২৩.৫০। যেহেতু সে ৪০ পায় নাই স্বভাবত সে ফেল। ১০০ মার্কসের মধ্যে ৪টা বিষয়। ৪০ মার্কসে সে জিরো। বাকি ৬০ এরমধ্যে সে ২৩.৫০। বার বার চেয়েও এসাইনমেন্ট জমা দেয় নাই। রেজাল্ট তো ঝুলেছে। চেয়েও দেয় নাই আরেকটা ছেলে শাহরিয়ার। এটাই বিষয়।

তিনি আরও বলেন, পাস করতে হলে পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষা ছাড়া ফেল করলে সে দায় তো শিক্ষকের না। তিনটি সেমিস্টারে সে একই কাজ করেছে। অনার্সের যে রেজাল্ট হয়েছে সেখানে তাদের ফেল আছে।

ডিবি কি বিষয়ে জানতে চেয়েছে? এমন প্রশ্নে বিভাগীয় চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চেয়েছে। আমরা তথ্য দিয়েছি। সত্য-মিথ্যা প্রমাণ তো তাদের বিষয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park