1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
January 18, 2026, 3:50 am

বাংলাদেশে যোগাযোগের বিপ্লব: কক্সবাজার রেল যাবে ২ নভেম্বর-পর্ব ১

  • প্রকাশিত : সোমবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৩
  • 318 বার পঠিত

মোশাররফ হোসেন: সাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়,, এত উন্নয়ন কী করে হয়…
পদ্মার মত খরস্রোতা বিশাল নদী জয় করে নিজস্ব অর্থায়নে ৬.১৫ কিলোমিটার এশিয়ার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ। আবার সড়ক ও রেল চলাচল। কী করে সম্ভব? এ বিস্ময়কর ঘটনার পর আগামী ১ নভেম্বর খুলনা ঢাকা খুলনা সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও পরে ঢাকা বেনাপোল ঢাকা আনতনগর ও ঢাকা কোলকাতা ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস রেল চলাচল করবে বলে রেল মন্ত্রি নুরুল আলম সুজন ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলক রেলে চড়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুর জনসভা করেছেন।
খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর বিভাগের মানুষের মধ্যে চলছে আনন্দ জোয়ার।
এর রেশ না কাটতেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মানুষ অপেক্ষার প্রহর গুণছেন। ঢাকা চট্টগ্রাম কক্সবাজার পরীক্ষামূলক রেল চলবে ২ নভেম্বর। ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনতনগর রেলের উদ্বোধন করবেন বলে রেল মন্ত্রি নুরুল আলম সুজন ঘোষণা দিয়েছেন।
তবে তার আগে ২৮ অক্টোবর কর্ণফুলি নদীর তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে সুড়ংগ পথ উদ্বোধন করা হয়েছে। আমেরিকার হাডসান ও ইংল্যান্ডের টেমস নদীর তলদেশ দিয়ে টানেলের মতই গাড়ি চলবে। যা এশিয়ার প্রথম।


ঢাকার রাজপথে মেট্রোরেল আগারগাও থেকে মতিঝিল চলাচল শুরুর অপেক্ষায়। এসব দূরদর্শী চিন্তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্বনেতরী শেখ হাসিনা। ঘোষণা নয়, বাস্তব।

কক্সবাজার হচ্ছে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কেন্দ্র

পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল বরিশাল৷ খুলনা ও ফরিদপুর বিভাগের মানুষের জীবন যাপন বদলে যাবে। বাংলাদেশের সীমান্ত ছাড়িয়ে পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দর মিলে বাণিজ্যিক কেন্দ্র গড়ে উঠবে।আবার বাংলাদেশের বাইরে ভারত, নেপাল হয়ে ,পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশে সড়কের ট্রান্স এশিয়ার যোগাযোগ হবে সড়ক পথে।
ঠিক তেমনি ট্রান্স এশিয়ান রেল যোগাযোগ এর মাধ্যমে কক্সবাজার থেকে মায়ানমারের ঘুনধুম হয়ে চীন পর্যন্ত যোগাযোগ হবে। আবার সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর দিয়ে চলবে বাণিজ্য। মহেশখালির মাতারবাড়ি বিদ্যুত কেন্দ্র যোগাবে শক্তি। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে। মাছ, লবণ, বনজ,কৃষি পণ্যের পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রের আকর্ষণ বৃদ্ধি পাবে। বদলে যাবে অর্থনৈতিক দৃশ্যায়ণ।

ইতিমধ্যে কক্সবাজারে তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের একটি নান্দনিক রেল স্টেশন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এর ঝিলংজার হাজিপাড়া এলাকার ২৯ একর জায়গাজুড়ে ২১৫কোটি টাকা খরচে এ স্টেশন তৈরি হয়েছে ৪বছরে।৬০০ শ্রমিক নিয়ে এটা বানিয়েছে আল জাবের কনসটেরাকশন। চীন, ইংল্যান্ড, ইতালি ও বেলজিয়ামের নকশা ও সহযোগিতা নিয়েছে তারা। ১লক্ষ ৮৭হাজার,৩৭ বর্গফুট জায়গাতে ৫ তলা ভবন। ৬টি এলিভেটর, ২টি একসিলেটর যাত্রীদের প্রবেশ ও বাহিরে যাবার সেবা দেবে। ৬৫০ মিটার দীর্ঘ প্লাটফর্মে প্রতিদিন ৪৬ হাজার মানুষ চলাচল করতে পারবেন। এটি গ্রীণ স্টেশন। আলো ছড়াতে ছাদ খোলা। আয়না ব্যাবহার করাতে কৃত্রিম আলো লাগবেনা। তদুপরি ছাউনি দিয়ে কাঠামো ঢাকা। নীচে রেল আসবে। আগতরা চলন্ত সিড়িতে উপরে গিয়ে সড়কে পৌছাবেন। আর গমনকারী চলন্ত সিড়ি দিয়ে নীচে নেমে চট্টগ্রাম ও ঢাকার ট্রেন ধরবেন। পর্যাপ্ত গাড়ির পার্কিং এলাকা রয়েছে।

যেসব ট্রেন চলাচল করবে

কুয়েত থেকে আনা ২ জোড়া ট্রেন, ঢাকা থেকে মহানগর প্রভাতি ঢাকা ছাড়বে সকাল ০৭টা ৪৫মিনিটে, কক্সবাজার পৌছাবে বিকেল ০৪টায়। কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা ৭টায় ছেড়ে ঢাকা পৌছাবে রাত ১টায় এবং তূর্ণা নিশানা রাত ১১:১৫মিনিটে ছেড়ে সকাল ০৭টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার পৌছাবে। কক্সবাজার থেকে রাত ০৮:৪৫মিনিটে ছেড়ে ঢাকা পৌছাবে সকাল ৬টায়। সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ১০০কিলোমিটার ও রামু ঘুনধুম ২৮ কিলোমিটার, মোট১২৮কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের জন্য মোট বাজেট ১৮হাজার কোটি টাকা। যার ১২হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে ট্রান্সএশিয়ান রেলওয়ে। আর ৬হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের।
কক্সবাজারে এখন পাঁচতারা হোটেল, পর্যটন মোটেল, রির্সোট, অনেক। একসময়  ছিল প্যানোয়া, সায়মন।দেখার জয়গা বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত, সেন্টমার্টিন, ইনানি ল, হিমছড়ি, মেরিন ড্রাইভ, রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড, রামু বৌদ্ধ বিহার, মহেশখালির আদিনাথ মন্দির, বায়ুবিদ্যুত, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর, কক্সবাজার বিমানবন্দর, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক।
সবমিলে কক্সবাজারের মানুষের জীবন যাপন বদলে যাবে। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বে জায়গা করে নেবে।সমুদ্রের মাঝে নামবে বিমান।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park