ওপেনিংয়ে লিটন দাসের সঙ্গী আফিফ। এই প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ওপেনিংয়ে নেমেছেন আফিফ। রনি ইনজুরিতে থাকায় আফিফ খেলছেন আজ। দুজনের ওপেনিং জুটি দুর্দান্ত শুরু করে। যদিও লিটনের যখন ২২ রান ছিল তখন আফিফের শুন্য। এরপর আফিফও ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। মুজিবকে হাঁকান দারুণ এক ছয়। অন্য প্রান্তে লিটন দুর্দান্ত। শুরু থেকেই ফারুকিদের উপর চওড়া হয়েছেন। দুজনের জুটি থেকে মাত্র ৩০ বলে ৫০ রান আসে।
সিরিজ জয়ে বাংলাদেশের প্রয়োজন ১১৯
টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে আফগানিস্তান ৭ উইকেটে ১১৬ রান করে। বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ১১৯ রান। বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটা দারুণ হয়। পাওয়ার প্লেতে আফগানরা ৩৪ রান করে ২ উইকেট হারিয়ে। ৭.২ ওভার খেলা না হতেই আসে বৃষ্টি। ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট বন্ধ থাকার পর ৮.১৫ মিনিটে খেলা শুরু হয়। ২০ ওভারের পরিবর্তে ১৭ ওভার করে খেলা হচ্ছে। বৃষ্টির পর বল হাতে দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। সাকিব জোড় আঘাতে লাগাম টেনে ধরেন। মাঝে হাসান-তাসকিন ২ ওভারে ২৮ রান দেন। শেষে মোস্তাফিজ-তাসকিন দারুণভাবে শেষ করেন। আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন ওমরজাই। এ ছাড়া ইবরাহীম ২২ ও করিম ২০ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন তাসকিন। ২টি করে উইকেট নেন সাকিব-মোস্তাফিজ। নাসুম উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দেন।
শেষ ২ ওভারে মোস্তাফিজ-তাসকিনের উইকেট
বৃষ্টির পর দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল আফগানিস্তান। এরপর আজমত-জানাতের জুটি তাদের পথ দেখায়। দুজনে খেলেন হাত খুলে। ২৯ বলে যোগ করেন ৪২ রান। ১৬তম ওভারের পঞ্চম বলে মোস্তাফিজকে মারতে গিয়ে ডিপ থার্ডে ধরা পড়েন আজমত। তিনি ২১ বলে ২৫ রান করেন। এরপর শেষ ওভারের তৃতীয় বলে করিমকে ফেরান তাসকিন। ২০ রান আসে এই অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে।
আফগানদের ১০০
হাসান-তাসকিনের করা ২ ওভারে ২৮ রান নেন আজমতুল্লাহ-করিম। তাতে এগিয়ে যায় আফগানরা। এরপর সাকিব এসে মাত্র ৬ রান দেন। ১৪ ওভারে আফগানরা ১০০ রান করে।
সাকিবের জোড়া আঘাতে ধুঁকছে আফগানিস্তান
১১তম ওভারের প্রথম বলে স্লোয়ার ছুঁড়েন সাকিব। লং অনে উড়িয়ে মারেন ইবরাহীম। টাইমিং ঠিকমতো হয়নি। বল উঠে যায় আকাশে। সেখানে থাকা আফিফ দারুণ ক্যাচ ধরেন। ২৭ বলে ২২ রান করেন আফিফ। এরপর ওভারের শেষ বলে নাজিবুল্লাহকে বোল্ড করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ৩ বলে ৫ রান করেন নাজিবুল্লাহ। সাকিবের জোড়া আঘাতে রানের গতি কমে গেছে আফগানদের। ১২ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৭২। ক্রিজে আজমতুল্লাহ-করিম জানাত।
দুই বার জীবন পেয়ে অবশেষে আউট নবী
নাসুমের নবম ওভারের চতুর্থ বল। নবী কাভারে কাট করেছিলেন। বল যায় সাকিবের হাতে। মিস করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরের বলে লিটন ক্যাচ ধরতে পারেননি উইকেটের পেছনে। এরপর মোস্তাফিজ বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই ফেরান নবীকে। আগের ম্যাচে ফিফটি করা এই ব্যাটসম্যান খোঁচা দেন উইকেটের পেছনে। ২২ বলে ১৬ রান করেন নবী।