1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
April 17, 2026, 2:18 am

উকিল আবদুস সাত্তার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত কলার ছড়ি প্রতীক নিয়ে আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ৪৪,৮১১ ভোট

  • প্রকাশিত : বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৩
  • 274 বার পঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা নেতা ও কলারছড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।

আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৮১১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুল হামিদ ভাসানী (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৯ হাজার ৫৮০ ভোট।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম বেসরকারিভাবে এই ফল ঘোষণা করেন। এ নিয়ে ৬ষ্ঠ বারের মতো এমপি নির্বাচিত হলেন উকিল সাত্তার।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

গত ১১ ডিসেম্বর বিএনপির আন্দোলনের অংশ হিসেবে দলটির সাতজন সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদত্যাগ করেন। তার মধ্যে উকিল আবদুস সাত্তারও ছিলেন। পরে তিনি একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। এতে দল থেকে সাত্তার ভূঁইয়াকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

অন্যদিকে রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে আসনটিতে দলীয় প্রার্থী না দিয়ে উন্মুক্ত রাখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। পরবর্তীতে উকিলের পক্ষে প্রকাশ্যে মাঠে নামেন দলটির নেতারা।

আসনটিতে আরেক আলোচিত প্রার্থী ছিলেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ। কিন্তু ভোটের ৪ দিন আগে গত ২৭ জানুয়ারি থেকে তিনি “নিখোঁজ” রয়েছেন। তার সন্ধান চেয়ে গত ৩০ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন তার স্ত্রী মেহেরুন্নিছা।

তবে নির্বাচন কমিশনের দাবি, তিনি নিজেই আত্মগোপনে গেছেন। আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বারবার বলে আসছে তারা তাকে আটক করেনি। তারা তার সন্ধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে তাকে ছাড়াই বুধবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা ধারণা করেছিলেন, তিনি ভোটের আগে ফিরে আসবেন এবং মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবেন। সকালে স্বামীর সন্ধান দাবি করে ভোট না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেন মেহেরুন্নিছা।

তিনি অভিযোগ করেন, নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে আসিফকে তুলে নিয়ে গেছে। ভোট সুষ্ঠু হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তার স্বামীকে খুঁজে বের করে পুনরায় ভোট আয়োজনের দাবি করেন “নিখোঁজ” এই প্রার্থীর স্ত্রী।

এর আগে দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ করেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল হামিদ ভাসানী। তিনি বলেন, “বেশিরভাগ কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিয়েছ উকিলের লোকজন। ভোট হয়েছে এক তরফা।”

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় ভোট শুরু হলেও বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই হাতেগোণা। এ চিত্র দেখা গেছে প্রায় ১২টা পর্যন্ত। তবে দুপুর ১টার পর কয়েকটি কেন্দ্রে উপস্থিতির হার কিছুটা বাড়ে। ১৩২টি কেন্দ্রে ভোট হয় ইভিএমে।

দুপুর ২টায় উচালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদ, বড্ডাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কেন্দ্রে দেখা যায় সর্বত্র সুনসান নীরবতা। এসব কেন্দ্রে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও কলারছড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি। অবশ্য আগেই ভোটকেন্দ্রে না যেতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি।

ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে দাবি করে জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহগীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, “শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় ভোটারদের আগ্রহ একটু কম ছিল। তাছাড়া জাতীয় নির্বাচনের অল্প দিন আগে ভোট হওয়ায় এমনটি হয়েছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park