মোশাররফ হোসেন: বরিশালের গৌরনদীর মিষ্টি মেয়ে অ্যানজেল। বাবা জেমস সুনাম বাড়ৈ ও মা এডলাইন বাড়ৈ নাম দেন অ্যানজেলা শ্রেয়া বাড়ৈ।
পড়তে এসেছিল উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডাত। মহানগর টরেন্টোর ইটোবিককের হামবার কলেজে বিজনেস পড়ছিল। কিন্তু নিয়তি তাকে নিয়ে গেল পরপারে। গেল ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে তিন বন্ধুর সংগে টরেন্টোয় বেড়াতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন অ্যানজেলা। তাঁর সাথে শাহরিয়ার ও আরিয়ান আকাশে চলে গেলেন। কুমার নিবিড় হাসপাতালে মৃত্যুর সংগে লড়াই করছেন।
গেল সপ্তাহে টরেন্টোর বাঙালিদের কাছে বিষয়টি বেদনাময়। আজ টরেন্টোর ইটোবিককের লোটাস কেন্দ্রে অ্যানজেলা বাড়ৈর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। বাঙালি, কানাডিয়ান, অ্যানজেলা, শাহরিয়ার ও আরিয়ান পরিবারের স্বজন, বন্ধুরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শেষ বিদায় জানান। তারা অ্যানজেলার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন। এসময সকলকে কাঁদতে দেখা গেছে । অ্যানজেলার মরদেহ শীঘ্রই বাংলাদেশে প্রথম ঢাকা ও পরে বরিশালের গৌরনদী নেয়া হবে বলে তার আত্মীয়স্বজন জানিয়েছেন ।
আজ শাহরিয়ার ও আরিয়ান এর জানাজা
দুপুর ১টায় উত্তর এসকারবোরোর ১এসটামফোরডের আল আবদীন (আইআরসিসি) মসজিদে শাহরিয়ার ও আরিয়ান দীপ্ত র জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে টরেন্টোর বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল লুৎফুর রহমান জানান ।