মোশাররফ হোসেন: বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে বি এম গুদামে রাসায়নিক পদার্থের আগুনে ৯ জন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ এখন পর্যন্ত ৪১ জন মানুষ মারা গেছেন।
আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হল ? এটা তদন্ত করার জন্য সরকারের জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিষফোরক বিশেষজ্ঞ দল তদন্ত শুরু করেছে।
বাংলাদেশ পোরকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এর কেমিক্যাল ইনজিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপকেরা, সেনাবাহিনীর গোলন্দাজ বিভাগ বলছেন রাসায়নিক পদার্থ কনটেইনার রাখার পদ্ধতি সঠিক ছিল না।
আবার হাইডোরজেন পারঅক্সাইড দাজজো পদার্থ নয়। তাহলে আগুন লাগার কারণ বের করা জরুরি। আগুন লেগেছে নাকি লাগানো হয়েছে। এটা জানা দরকার।
তবে আগুনের ঘটনার পর চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস তাৎক্ষণিক অপারেশনে নেমে পড়ে। ছুটে আসেন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, মেডিকেলের সেবামূলক দল।
খবর পেয়ে উদ্ধার কাজে যোগ দেন চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জনতার অংশ গোরোহন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে র ছাত্র রা রক্ত দান ও উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল সহ বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করা হয় । জরুরিভাবে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে ঢাকা নিয়ে শেখ হাসিনা বারণ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করা হয় । এখন চিকিত্সা চলছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পোরধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সরাষটোরো ,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, সাসথো মনতোরোনালয, সেনাবাহিনী , সকল প্রশাসন এখন আগুন নেভানোর কাজ, আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা, নিহতদের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর সহ সকল কাজ পরিচালনা করছে ।
মানবিক বিপর্যয় থেকে মানুষ বাঁচানোর দায়িত্ব সকলের। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল নর্দমা করে, মাটিতে গর্ত খুঁড়ে পোড়া রাসায়নিকের লাভা চলে যাওয়ার বেয়াবসথা করে। নদী ও সাগরে যাবার সুযোগ গর্বিত সেনাদল আটকে দেন বলে চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
ধোঁয়া থেকে বাতাসে যে প্রভাব তাতে শাসকষটো হতে পারে। এজন্য বি এম ডিপোর এলাকায় চলাফেরা সীমিত করা হয়েছে।
তবে সবকিছু উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিক, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী প্রশাসন এখন আগুন এসথলে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
অথচ জাতির দুর্ভাগ্য একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা বলেছেন, সরকারের অবেয়াবসথাপনা ছিল । কিন্তু ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করে ,মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে দায়িত্ব হীন কথা বলা কী ঠিক?