1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
May 1, 2026, 2:02 am
সংবাদ শিরোনাম :
শিগগিরই ১০ম ওয়েজবোর্ড গঠন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা করতে ডাটাবেজ হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী এসো হে বৈশাখ, এসো এসো প্রতিটি গণমাধ্যমকে ফ্যাক্ট চেকিং নিশ্চিত করে সংবাদ প্রচার করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সাধুর বাজারে—-মিনার মনসুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৭তম জন্মদিন আজ দূরবীণ ২৪.কম এর ৭ম জন্মদিন আজ ‘সরকার প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়’ হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে “দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান মাঠটি ভাবেনি তাকে নিয়ে এত কিছু হবে

আজ সাংবাদিক কে.জি মুস্তাফার ১১তম মৃত্যু বার্ষিকী

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, মার্চ ১৬, ২০২১
  • 407 বার পঠিত

জাফর ওয়াজেদ : কে.জি মুস্তাফা সাংবাদিক, কলামিস্ট, ভাষা সৈনিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত। পুরো নাম খোন্দকার গোলাম মোস্তফা। ১৯২৮ সালে সিরাজগঞ্জের কুড়িপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা খোন্দকার ওয়াসিউজ্জামান এবং মা তাহিয়াতুন্নেসা। তিনি সিরাজগঞ্জের বনোয়ারীলাল বিদ্যালয় থেকে ১৯৪৪ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং প্রথমে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ও পরে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ইন্টারমেডিয়েট পড়েন। কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনার সূত্রে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে পরিচিত হন এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫১ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বি.এ ডিগ্রি লাভ করেন।

এম.এ পাঠকালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সাথে যুক্ত হন এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন। কে.জি মুস্তাফা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৭ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন।

দেশ বিভাগের আগে থেকেই ইসলামিয়া কলেজে পড়াকালীন তিনি পেশা হিসাবে সাংবাদিকতাকে গ্রহণ করেন ও কলকাতার দৈনিক আজাদ পত্রিকায় যোগ দেন। পরবর্তীকালে তিনি দৈনিক ইনসাফ, দৈনিক ইত্তেফাক, বাংলাদেশ অবজারভার, দৈনিক পূর্বকোণ ও সংবাদ পত্রিকায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। নববই দশকের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি দৈনিক মুক্তকণ্ঠ নামের একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তৎকালীন পাকিস্তান ফেডারেল জার্নালিস্টস ইউনিয়নের সভাপতি এবং স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।

এছাড়া সাপ্তাহিক ইরাক টুডে ও ডেইলি বাগদাদ পত্রিকার প্রতিনিধি হিসাবেও তিনি কাজ করেন। কে.জি মুস্তাফা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়া সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেন। দেশের সাংবাদিকতার উন্নয়ন ও বিকাশে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সাংবাদিক নেতা হিসাবেও তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।

কে.জি মুস্তফা বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত লেবাননে এবং ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ইরাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দীর্ঘকাল কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

আবদুল গাফফার চৌধুরী স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে একটি ইন্টারভিউ বলেছিলেন যে “খন্দকার গোলাম মুস্তাফা বরাবরই কে জি মুস্তাফা নামেই লিখতেন, এবং সেই নামেই তিনি সুপরিচিত৻ আবদুল গাফফার চৌধুরী মি. মুস্তাফাকে তার সাংবাদিকতার শিক্ষাগুরু বলে আখ্যা দেন।

মি. মুস্তাফা বরাবরই বাম রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য কারাবরণও করেছেন৻ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন মি. মুস্তাফা, এবং পরবতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি।কোলকাতার শিক্ষজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানের সহপাঠী এবং ঘনিষ্ঠজন ছিলেন৻ আবদুল গাফফার চৌধুরী বিবিসিকেদেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন যে দুজনের রাজনৈতিক মতাদর্শের অমিল থাকলেও তাদের ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব “খুবই জোরদার“ ছিল।”

তিনি ২০১০ সালের ১৩ মার্চ আজকের এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন। দোয়া করি আল্লাহ তাকে বেহেস্তবাসী করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park