1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
June 23, 2026, 11:49 am
সংবাদ শিরোনাম :
মিস-ইনফরমেশন ও ডিস-ইনফরমেশন মোকাবিলায় ডিসিদের নির্দেশনা শিগগিরই ১০ম ওয়েজবোর্ড গঠন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা করতে ডাটাবেজ হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী এসো হে বৈশাখ, এসো এসো প্রতিটি গণমাধ্যমকে ফ্যাক্ট চেকিং নিশ্চিত করে সংবাদ প্রচার করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সাধুর বাজারে—-মিনার মনসুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৭তম জন্মদিন আজ দূরবীণ ২৪.কম এর ৭ম জন্মদিন আজ ‘সরকার প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়’ হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে “দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান

ডিএনএ টেস্টে ১৫ বছর পর বাবার পরিচয় শনাক্ত, ছেলেকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার নির্দেশ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১, ২০২৪
  • 273 বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর: রংপুরের মিঠাপুকুরে ধর্ষণ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামির ডিএনএ টেস্টে পরিচয় পেয়ে ছেলের নামে অর্ধেক সম্পত্তি লিখে দেওয়ার শর্তে আসাদুল ইসলাম (৪২) নামের একজনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহুরুল হকের বেঞ্চ এই জামিন দেন।

আগামী ২১ মে এই আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিষয়ে আসামির আইনজীবীকে আদালতে জানাতে বলা হয়েছে। এ রায় ঘোষণার সময় আসাদুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের দায়ে আসাদুল ইসলামকে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাইকোর্টের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আসামি আসাদুল ইসলামের নিজের ও তাঁর বাবার নামে অনেক জমি রয়েছে। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া আসাদুলের সম্পত্তির অর্ধেক লিখে দেওয়ার শর্তে আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য আসামিপক্ষের আইনজীবী নূরুল ইসলাম সুজনকে আদালতের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে গর্ভবতী হন এক নারী। কিন্তু আসাদুল তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন ওই নারী। গ্রামে সালিস করেও বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় আদালতে গড়ায়। এরই মধ্যে ওই নারী ছেলেসন্তান প্রসব করেন। ছেলেটির বয়স এখন ১৫ বছর। ছেলেটির ভরণপোষণ ও বাবার পরিচয় পেতে ওই নারী আইনি লড়াই শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ডিএনএ টেস্টে প্রমাণিত হয়েছে ছেলেটির বাবা আসাদুল ইসলাম।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই নারী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি গতকাল হাইকোর্টে উপস্থিত ছিলাম। আমার সন্তানের পিতৃত্বের পরিচয় পেয়েছি। আমার সন্তান একটি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে। তার বয়স এখন ১৫ বছর।’

মামলার বিবরণের উদ্ধৃতি দিয়ে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার রফিক হাছনাইন জানান, ২০০৭ সালে মিঠাপুকুর উপজেলার একটি গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে আসাদুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আসাদুল বিয়ের কথা বলে মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে আসাদুলকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় মেয়েটি বাদী হয়ে ২০০৭ সালের ৩ জুন আসাদুল ইসলাম ও তাঁর বাবাকে আসামি করে মিঠাপুকুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২২ ডিসেম্বর আসাদুলের নামে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে আসাদুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাক্ষ্য প্রমাণ ও শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল আসাদুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক জাবিদ হোসাইন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park