মোশাররফ হোসেনঃ ভারত রত্ন ও দাদা সাহেব ফালকে, নাইটেংগেল সহ অসংখ্য পুরস্কার পাওয়া সুর সমরাগগি কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকর আর নেই,,।
করোনায় আক্রান্ত হবার পর মুম্বাই এর বিরিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আজ তিনি মৃত্যু বরন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়ে ছিল ৯২। তাঁর মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ বিশ্বের নেতৃবৃন্দ, বুদ্ধিজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক সহ ভিন্ন ভিন্ন বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন।
অনলাইন নিউজ পোর্টাল দূরবীণ এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মোশাররফ হোসেন সহ সকল সাংবাদিক ও কর্ম কর্তা এজন্য মর্মাহত ও বেদনায় নীল।
তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং পরিবারের সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর দ্বীননাথ মঙ্গেশকর আর সেবন্তী মঙ্গেশকরের ঘরে এলো তাদের প্রথম সন্তান, নাম রাখলেন হেমা। দ্বীননাথের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন সেবন্তী। পণ্ডিত দ্বীননাথ নিজেও সঙ্গীত আচার্য ছিলেন। সঙ্গীত ও নাটক- দু’ক্ষেত্রেই ছিল তার সাবলীল যাতায়াত। মঞ্চনাটক লিখতেন, সাথে অভিনয়ও করতেন। নাটকের প্রয়োজনে গানও গাইতেন। ‘ভাউবন্ধন’ নামের এক নাটক পরিচালনার পর নাটকের প্রধান চরিত্র লতিকাকে খুব মনে ধরেছিল দ্বীননাথ-সেবন্তী দম্পতীর। তাই সন্তানের নাম হেমা থেকে বদলে রাখা হলো লতা।
নাম বদলের ইতিহাস তাদের পরিবারে অবশ্য নতুন নয়। বর্তমান মধ্যপ্রদেশের অধিবাসী লতা মঙ্গেশকরের পরিবারের পদবী ছিল হরদিকর। দ্বীননাথ এটিকে বদলে মঙ্গেশকর করেন, যাতে তাদের নিজেদের এলাকা গোয়ার মঙ্গেশি শহরের মানুষ বলে তাদের চিহ্নিত করা যায়।