1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
May 25, 2026, 10:19 pm
সংবাদ শিরোনাম :
মিস-ইনফরমেশন ও ডিস-ইনফরমেশন মোকাবিলায় ডিসিদের নির্দেশনা শিগগিরই ১০ম ওয়েজবোর্ড গঠন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা করতে ডাটাবেজ হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী এসো হে বৈশাখ, এসো এসো প্রতিটি গণমাধ্যমকে ফ্যাক্ট চেকিং নিশ্চিত করে সংবাদ প্রচার করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সাধুর বাজারে—-মিনার মনসুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৭তম জন্মদিন আজ দূরবীণ ২৪.কম এর ৭ম জন্মদিন আজ ‘সরকার প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়’ হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে “দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান

৭৫ এর হত্যাকাণ্ড, ৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ : আব্দুর রহমান

  • প্রকাশিত : রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
  • 380 বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা আজ মা হারা, বাবা হারা, তিনি ভাই হারা। তিনি শুধুমাত্র একটি ছোট বোনকে নিয়ে সেই ১৯৭৫ সালের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য নিয়ে তিনি বেঁচে ছিলেন। ১৯৭৫ সালে যে হত্যাকাণ্ড ঘটনো হয়েছিল, সেটা কেবল মাত্র বঙ্গবন্ধু বা তার পরিবারকে হত্যা করার জন্য ছিল না, সেই হত্যাকাণ্ড ছিল একেবারেই সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিয়েই। সেই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল তারা।

রবিবার বিকালে রাজধানীর ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর তৃতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে হত্যা করা হয়েছিল। বাংলাদেশের হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছিল। এছাড়া বাংলাদেশের দেহ থেকে প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমাদের চেতনা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে সেই দিন জাতীয়তাবাদ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেইদিন প্রতিবাদ করার মতো কোনো পরিস্থিতি ছিল না। সেই দিন অন্ধকার ছিল। কিন্তু ১৯৮১ সালে শত বাধা উপেক্ষা করে আমাদের মাঝে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। সেই দিন বিমানবন্দরে লাখ লাখ মানুষ স্লোগান দিয়েছিল। সেই দিন শেখ মুজিবের বেশে শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন। তিনি দেশে আসার পর ২১বার তার জীবনের উপর আক্রমণ করা হয়েছে। কিন্তু এসব আক্রমণ ও বিএনপি-জামায়াতের যড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই বাংলাদেশকে পৃথিবীর কাছে তুলে ধরেছেন। তাই আজ সারা বিশ্বের কাছে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অনুসরণীয়। শেখ হাসিনা মানেই গণতন্ত্রের বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা মানেই উন্নয়নের বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা মানেই হলো জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ।

গৌরব ৭১ আয়োজিত ‘প্রজন্মের প্রার্থনা, শতায়ু হোক শেখ হাসিনা’ স্লোগানে আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিনের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এসএম মনিরুল ইসলাম মনি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এফ এম শাহীনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, ৭৪টি ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। ওই ছবিগুলোতে শেখ হাসিনার খণ্ড খণ্ড চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তবে এমন কিছু ছবি এখানে তুলে ধরা হয়েছে; যেগুলো আগে কখনো জনসম্মুখে আসেনি। এই ছবিগুলোতে শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবন ও তার পারিবারিক জীবনের দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন রাষ্ট্রনায়ক বা রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে আর্শিবাদ এবং বাঙ্গালি জাতির কাছে তিনি বাতিঘর। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে ‌অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। আগামী ১০০ বছরের দেশ কোথায় যাবে, সেই পরিকল্পনাও শেখ হাসিনার মাথায় রয়েছে।

শেখ হাসিনা একজন সফল মা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, তার দুই সন্তান দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের কাছে তাদের যোগ্যতার কথা জানান দিয়েছেন। করোনাকালেও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এ দেশের উন্নয়ন চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশে লোকচক্ষুর আড়ালে অনেক মেগা প্রকল্প চলমান। এছাড়াও তরুণ প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দিয়ে উদ্যোগ তৈরির কাজও করছেন।

তিনি বলেন, বার বার শেখ হাসিনার উপর হামলা হয়েছে। কিন্তু তিনি কখনো সাহস হারাননি। উনার  (শেখ হাসিনার) ভরসার জয়গা হলো আওয়ামী লীগ ও এ দেশের জনগণ। প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনাগুলো সবাই নিজেরা নিজের জায়গা থেকে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাবিতা রিজওয়ানা রহমান বলেন, নারীর মুক্তির জন্য যদি কেউ সত্যিকারে কাজ করে থাকেন তিনি শেখ হাসিনা। তিনি এই শিক্ষা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার থেকেই পেয়েছিলেন। তিনি জানতেন দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অন্ধকারে রেখে কখনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। তিনি সেই ছাপ তৃণমূলের নারী থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদে রেখছিলেন।

সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩৫ থেকে ৫০ এ উন্নীত করা তারই অবদান। নারী পুরুষ যে হাতে হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে, নারীর সামাজিক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ শেখ হাসিনার প্রতি। তিনি বিশ্বাস করেন আমাদের বাজেট যদি জেন্ডার সংবেদনশীল না হয় তবে দেশের উন্নতি সম্ভব না।

সাবেক ছাত্রনেতা শাহিনুর রহমান টুটুল বলেন, ১৯৪৭ সালে আমার নেত্রী যখন জন্মগ্রহন করেন তখন পিতা মুজিব ছিলেন জেলে, নিপীড়ন জেল জুলুম ছিল তার নিত্যদিনের সঙ্গী। পিতার মতই মক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির কাছে অত্যাচারিত হয়ে নেত্রী উঠে এসেছেন বাঙালি জাতির মুক্তির শপথ নিয়ে।

সাবেক ছাত্রনেতা সুজাদুর রহমান সুজাত বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি সময় থাকা প্রধানমন্ত্রী। তার আজকের এই অবস্থান একদিনের নয়, অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আল্লাহর অশেষ রহমতে এখনো তিনি দেশের হাল শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন।

দুপুরে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ইলিয়াস শরীফ এবং ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park