1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
April 19, 2026, 4:39 pm
সংবাদ শিরোনাম :
শিগগিরই ১০ম ওয়েজবোর্ড গঠন, প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা করতে ডাটাবেজ হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী এসো হে বৈশাখ, এসো এসো প্রতিটি গণমাধ্যমকে ফ্যাক্ট চেকিং নিশ্চিত করে সংবাদ প্রচার করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সাধুর বাজারে—-মিনার মনসুর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৭তম জন্মদিন আজ দূরবীণ ২৪.কম এর ৭ম জন্মদিন আজ ‘সরকার প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়’ হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে “দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক ২০২৬” পাচ্ছেন রফিকুর রশীদ ও আকিমুন রহমান মাঠটি ভাবেনি তাকে নিয়ে এত কিছু হবে

ক্যাসিনো ব্রাদার এনু-রূপনের ১২১ ফ্ল্যাট ও ১৯ কোটি টাকা সন্ধান

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২০
  • 436 বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যাংকে পাওয়া গেছে ১৯ কোটি টাকা। পুরান ঢাকার আওয়ামী লীগ নেতা (বহিস্কৃত) এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার নামে ১২১টি ফ্ল্যাটের খোঁজ মিলেছে। ঢাকার বাইরে দুই ভাইয়ের আরো ছয়টি জমির সন্ধান পেয়ে পাওয়া গেছে। এসব সম্পত্তি অর্জনের বৈধ কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি তারা দুই ভাই। পাশাপাশি অর্থ পাচারেরও তথ্য প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে বংশাল থানায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জিসানুল হক জানান, অনুসন্ধানে ক্যাসিনো কারবারি এনু ও রুপনের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহারের মাধ্যমে তাদের সম্পত্তির কিছু হিসাব পাওয়া গেছে। এরমধ্যে রয়েছে, রাজধানীর সূত্রাপুরের বানিয়ানগরে ২০১৪-১৫ সালে কেনা ছয়টি ফ্ল্যাট ও এক কাঠা জমি। বাবা চাচাদের নামে ওয়ারীর ১০৫ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে পাঁচটি ফ্ল্যাট ও পৌনে দুই কাঠা জমি। ১০৬ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে ১০ তলা ভবনে ১০টি ফ্ল্যাট ও দুই কাঠা জমি। ১০৩ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে এক কাঠার প্লট। ১১৬ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে ছয়তলা ভবনে ছয়টি ফ্ল্যাট, ১১২ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে ছয়তলা ভবনে ছয়টি ফ্ল্যাট, আধাকাঠা জমি। ১২০ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে এক কাঠার প্লট। ৭০নং দক্ষিণ মৈসুন্দি ওয়ারী সাততলা ভবনে ১৪টি ফ্ল্যাট।

আরো আছে, ৬৫/২ শাহ সাহেব লেন গেন্ডারিয়ায় ১০ তলা ভবনে ১৭টি ফ্ল্যাট ও তিন কাঠা জমি। ৭০ ও ৭১নং শাহ সাহেব লেনে ছয়তলা বাসায় দু’টি ফ্ল্যাট ও এককাঠা জমি। ৮নং শাহ সাহেব লেনে পাঁচতলা বাড়িতে ১৩টি ফ্ল্যাট ও তিন কাঠা জমি। ১৫নং নারিন্দা লেনে ছয়তলা ভবনে ১১টি ফ্ল্যাট ও দুই কাঠা জমি। ৬ নম্বর গুরুদাস সরদার লেনে ছয়তলা ভবনে ১২টি ফ্ল্যাট ও চার কাঠা জমি। গেন্ডারিয়ায় ১৩৫ ডিস্টিলারি রোডে একতলা টিনশেড বাড়ি ও সাড়ে তিন কাঠা জমি। ওয়ারী থানার পেছনে ৪৪/বি বজ্রহরি শাহ স্ট্রিটে চার কাঠার খালি প্লট। ৮৮ মুরগিটোলা নয়াহাজীতে ৯ কাঠার খালি প্লট। কেরানীগঞ্জে তেঘরিয়া এলাকায় বিশাল এলাকাজুড়ে বাংলো বাড়ি।

এনু-রূপন স্টিল হাউজের নামে বংশাল থানার ১৪ নবাব ইউসুফ রোডে দোকান, একই রোডে আরেকটি দোকান আছে ভাড়ায় নেওয়া। ধোলাইখালে বাঁধন এন্টারপ্রাইজ নামে দোকান। ২৯নং বানিয়ানগরে সুমন শিট কাটিং নামে জহিরুল হক দুলের সঙ্গে পার্টনারশিপে ব্যবসা। ১০৩ লালমোহন স্ট্রিটের পাশে ১০১/১০২ নম্বর প্লটে আধা কাঠা জমি। ১১৯ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে আধা কাঠা জমির ওপর ছয়তলা ভবনে ফ্ল্যাট। নারিন্দা লেন গেন্ডারিয়ায় চারতলা বাড়িতে পাঁচটি ফ্ল্যাট ও পাঁচ কাঠা জমি। এছাড়াও সেখানে ১৫ কাঠার ওপর একতলা তিন রুমের একটি বাড়ি আছে। ১৪ নারিন্দা লেনে পাঁচতলা ভবনে দুটি ফ্ল্যাট, একটি তিনতলা ভবনে একটি ফ্ল্যাট। সেখানে ডেভেলপার জাহিদ ডায়েম-এর ভবনে এক হাজার বর্গফুটের দু’টি ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন। ৬৫ শাহ সাহেব লেন খালি টিনশেড বাড়ি।

ঢাকার বাইরের সম্পদের মধ্যে রয়েছে, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান এলাকায় ১০ কাঠার খালি প্লট, এনু ও রূপন স্টিল হাউজের জন্য বানিয়ানগরে ভাড়া নেওয়া দোকান। শরীয়তপুরের নড়িয়া থানায় ১২ শতাংশ ক্ষেত। পালং থানার দোমশা গ্রামে ২০ শতক ও ১৪ শতক ক্ষেত। এছাড়াও চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, খুলনা, মানিকগঞ্জ ও সাভারে তাদের জমির সন্ধান পায়।

এর আগে সিআইডি জানায়, ক্যাসিনো ব্যবসা শুরুর পর সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়া। তাদের ৯১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থিতিশীল টাকার পরিমাণ ১৯ কোটি টাকা হলেও গত পাঁচ বছরে লেনদেন করেছেন ২০০ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া ২০টি বাড়ি, ১২১টি ফ্ল্যাট, জমিসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক এই দুই ভাই।

২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়াদের পুরান ঢাকার বানিয়ানগরের বাসায় এবং তাদের দুই কর্মচারীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে পাঁচ কোটি টাকা এবং সাড়ে সাত কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় সূত্রাপুর ও গেণ্ডারিয়া থানায় তাদের নামে ছয়টি মামলা হয়। পরে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এনু-রুপনের লালমোহন সাহা স্ট্রিটের বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা, পাঁচ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআরের কাগজ এবং এক কেজি স্বর্ণ জব্দ করে র‌্যাব। এ ঘটনায় দুই ভাইয়ের নামে আরও দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

সিআইডির পাশাপাশি দুদকের অনুসন্ধানেও এনু-রুপনের বিপুল অবৈধ সম্পদের তথ্য মিলেছে, যার ভিত্তিতে সংস্থাটির পক্ষ থেকেও পৃথক মামলা করা হয়েছ।

এদিকে গত ২৩ জুলাই অর্থ পাচারের চার মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা, আলোচিত দুই ভাই ও আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও সাধারণ সম্পাদক রুপন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে সিআইডি পুলিশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০  
© All rights reserved © 2024 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park