গত ১ অক্টোবর, রবিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন অব কানাডার বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন, ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়। ৯ ডয়েজ রোডস্হিত রয়েল কানাডিয়ান লিজিয়ন হলে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এ এম এম তোহা ও সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন।

তিন পর্বের বিন্যস্ত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বিভিন্ন বক্তারা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যের পর্বের সমাপ্তি লগ্নে সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ বিশ্বজিৎ পাল যথাক্রমে সাধারণ সম্পাদকের বিবরণী ও হিসাব বিবরণী পেশ করেন।
দ্বিতীয় পর্বে ছিল সকলের জন্য উন্মুক্ত প্রশ্নত্তোর পর্ব। এই পর্বে প্রশ্নকারীরা সংগঠনের কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রশ্নকারীদের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।

তৃতীয় পর্বে ছিল নির্বাচন। এই পর্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার এমদাদুল হক ও রূপন কান্তি দাশগুপ্ত। ভোট গ্রহণ পূর্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের বিষয় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তিনি ভোট প্রদানের প্রক্রিয়া ও বিভিন্ন বিষয়গুলো তুলে ধরেন। পরবর্তীতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সভাপতি পদে ড. হুমায়ুন কবির ও শফি আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে হাসান তারেক চৌধুরী ও একেএম খোরশেদ আলম খানকে পরিচয় করিয়ে দেন।

প্রার্থী পরিচিতির পর বিকাল ৩ ঘটিকায় ভোট গ্রহণ শুরু হয় এবং টানা বিকাল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত ভোটের কার্যক্রম চলতে থাকে। ভোটাররা সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে ভোট প্রদান করেন। ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনারগণ ভোট গণনা সমাপ্ত করেন। ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনে সভাপতি পদে ড. হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক পদে হাসান তারেক চৌধুরী বিজয়ী হন। সকলের সহযোগিতায় সাধারণ সভা ও নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

নির্বাচন কমিশন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক চার প্রার্থীকে মাত্র তিন গজের মধ্যে বসিয়ে, তাদের সামনে ভোট গণনা করেছেন। এমনকি বাতিল ব্যালটের নমুনা প্রতিদ্বন্ধ্বি ৪ প্রার্থীকে দেখানো হয়। একাধিক কারণে এসব ব্যাতিল হয়। তাদের সামনে ভোট গণনা করেছে। এ নিয়ে সকল অপপ্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকার জন্য নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন। নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী যুগল অবৈধ সভায় একটি কমিটি গঠন করেন। ১অক্টোবর নির্বাচনে হেরে ৫ই অক্টোবর পূর্ব ঘোষিত কোন কার্যক্রম ছাড়া সদস্যদের বিভ্রান্ত করে ফোনে ডেকে এনে একটি মিলনায়তনে অবৈধ সভায় মিলিত হন। এমনকি তারা একটি অবৈধ কমিটি গঠন করেন। অথচ নিয়ম অনুযায়ী তারা কোন আপিল করেননি নির্বাচন কমিশনারের কাছে। যাহা সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ড।

নির্বাচন সুষ্ঠভাবে শেষ করার পর গত ৫ অকটোবর ২৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব সমাপ্ত করেছেন। -বিজ্ঞপ্তি