1. doorbin24bd@gmail.com : admin2020 :
  2. reduanulhoque11@gmail.com : Reduanul Hoque : Reduanul Hoque
April 16, 2024, 1:45 am

পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই, এক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে

  • প্রকাশিত : বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • 394 বার পঠিত

অর্থনীতি ডেস্ক : আগামী এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। দেশে পেঁয়াজের বর্তমান মজুদ রয়েছে ৫ লাখ টন। আর চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়েছে ৪ লাখ টন। তাই পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে টিসিবির সাথে ই- কমার্সকে যুক্ত করকে যাচ্ছে সরকার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে মজুত, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এক মাস কষ্ট সহ্য করতে হবে। বর্ডারে আটকে থাকা পেঁযাজ দুই এক দিনের মধ্যে প্রবেশ করার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য জেল জরিমানা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মায়নমার থেকে ১২/১৩ শ টন পেঁয়াজ লোড হয়েছে। যা কিছু দিনের মধ্যে আসবে। এক মাস আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে। এক মাসের মধ্যে সাপ্লাই চেইন ফুল করে দেবো।

এসময় বাণিজ্য সচিব জাফর উদ্দিন বলেন, দেশীয় পোঁয়াজের বর্তমান মজুত প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন। দেশে পেঁয়াজের সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর পাইকারি হাট-বাজারে বিপুল পরিরিমান পেঁয়াজ ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে, সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার কারণে মূল্যবৃদ্ধির প্রবনতা দেখা যাচ্চ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প পথে এলসির মাধ্যমে মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্ক থেকে জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ দেশে পৌঁছালে অল্প সময়ের মধ্যেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। তবে এদিন বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে ১২ মেট্রিকটন। পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করায় বেনাপোলের ওপারে পেট্রাপোলে আটকা পড়েছে পেঁয়াজভর্তি প্রায় ১৫০টি ট্রাক। একই অবস্থা অন্যান্য স্থলবন্দরেও। ভারতের শুল্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার কিছু নীতিগত পরিবর্তন হওয়ার কারণে পেঁয়াজের রপ্তানি বন্ধ করা হয়েছে।

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানির বন্ধ ঘোষণার পড় থেকেই দেশের বাজারে বেড়েই চলেছে নিত্য প্রয়োজনীয় এ পণ্যের দাম। একদিন ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। গতকাল সকালেও পণ্যটি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর একমাস আগেই দেশের বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৪০ টাকার মধ্যে ছিল। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। ফলে পেঁয়াজের বাজার দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে গত রোববার থেকে ৩০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি)।

এদিকে পেঁয়াজের আমদানি বন্ধের খবরে নড়েচড়ে বসেছে বেনাপোলসহ বিভিন্ন স্থানের পেঁয়াজের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা। বুধবার খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে সে সময় দেশের বাজারে হু হু করে দাম বাড়ে। রেকর্ড ৩০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে পেঁয়াজের কেজি। এই পরিস্থিতি চলমান ছিল কয়েক মাস। তখন ভারত নিজেদের বাজার সামাল দিতে গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানিতে ন্যূনতম প্রতি টনের মূল্য ৮৫০ ডলার বেঁধে দেয়। ৩০ সেপ্টেম্বর রপ্তানিই নিষিদ্ধ করে। এরপর দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম সেঞ্চুরি-ডাবল সেঞ্চুরিও অতিক্রম করে। নভেম্বরে ৩০০ টাকা ওঠে পেঁয়াজের কেজি। তখন মিয়ানমার, চীন, মিসর ও পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ এনে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে সরকার। বিমানেও দেশে আসে পেঁয়াজ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com
Theme Customized By Shakil IT Park